for Add

শ্রীলংকাকে হারিয়ে কোয়ার্টারে অস্ট্রেলিয়া

208055নিজস্ব প্রতিবেদক: সাঙ্গাকারার অসাধারণ এক সেঞ্চুরি। টানা তিন ম্যাচে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েও জেতাতে পারলেন না শ্রীলংকাকে। ৩৭৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিলেন সাঙ্গাকারা-দিলশানরা। কিন্তু শেষ ১০ ওভারের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত শ্রীলংকাকে হারতে হলো ৬৪ রানের ব্যাবধানে।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের টর্নেডো গতিতে প্রথম সেঞ্চুরিতে ৩৭৬ সালের বিশাল সংগ্রহ গড়ে জিতল অস্ট্রেলিয়া। কুমার সাঙ্গাকারার শতকে লড়াইয়ে করলেও শেষ রক্ষা হয়নি শ্রীলংকার!

তিন জয়ে ‘এ’ গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলল অস্ট্রেলিয়া। টানা পাঁচ ম্যাচ জয়ে সবার আগে শেষ আট নিশ্চিত করে নেয় নিউজিল্যান্ড।

শুরুতে থিরিমান্নের উইকেট হারালেও সাঙ্গাকারা আর দিলশানের ১১৯ রানের জুটি শ্রীলংকাকে জয়ের বন্দরেই পৌঁছে দিচ্ছিল প্রায়। এই দু’জনের পর শ্রীলংকা এগুচ্ছিল অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ ও দিনেশ চান্দিমালের ব্যাটে ভর করে। কিন্তু চোট পেয়ে চান্দিমালের মাঠ ছাড়ার পরই খেই হারিয়ে ফেলে লংকানরা। শেষ পর্যন্ত ৪৬.২ ওভারে ৩১২ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা।

জেমস ফকনারের বলে ৬২ রান করা দিলশান এলবিডব্লিউতে আউট হলে ভাঙে ১১৯ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। মাহেলা জয়াবর্ধনের সঙ্গে ৫৩ রানের আরেকটি জুটি উপহার দেন সাঙ্গাকারা।

রান আউট হয়ে জয়াবর্ধনের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টেকেননি সাঙ্গাকারাও। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টানা তিনটি শতকে পৌঁছানোর পর ফকনারের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। ২৪তম শতক করা সাঙ্গাকারার (১০৪) ১০৭ বলের ইনিংসটি গড়া ১১টি চারে।

নেমেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা দিনেশ চান্দিমালের সঙ্গে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের ৪৪ বলে ৮০ রানের জুটিতে দ্রুত রান তোলে। দলকে জয়ের পথেই নিয়ে এসেছিল এ দু’জন।

এ সময় শ্রীলংকার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৮১ রান। চান্দিমাল আহত হয়ে মাঠের বাইরে চলে যাওয়ার পরই ৩১ রান যোগ করেই অলআউট হয় তারা।

208049এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় উইকেটে ১৭৯ বলে ১৩৪ রানের জুটি গড়েন ক্লার্ক-স্মিথ। এই দু’জনের বিদায়ের পর ম্যাক্সওয়েল ও ওয়াটসন পাল্টা আক্রমণে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। ৮২ বলে ১৬০ রানের জুটি গড়ে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যান ম্যাক্সওয়েল ও ওয়াটসন। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দ্রুততম শতকে ম্যাক্সওয়েল খেলেন বিস্ফোরক ইনিংস।

মাত্র ১ বলের জন্য কেভিন ও’ব্রায়ানের বিশ্বকাপে দ্রুততম শতকের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি ম্যাক্সওয়েল। তবে ৫১ বলে শতক করে অস্ট্রেলিয়ার দ্রুততম শতকের রেকর্ড ঠিকই নিজের করে নেন তিনি। ভারতের বিপক্ষে ৫৭ শতকে পৌঁছে রেকর্ডটি করেছিলেন জেমস ফকনার।

ম্যাচ সেরা ম্যাক্সওয়েলের ৫৩ বলের ইনিংসটি ১০টি চার ও ৪টি ছক্কায় সাজানো। তার বিদায়ের পর দ্রুত উইকেট হারালেও ওয়াটসন ও ব্র্যাড হ্যাডিন দলকে পৌনে চারশ’রানে নিয়ে যান।

for Add