সাকিবের ২৮তম জন্মদিন

shakibনিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৮৭ সাল। মাগুরার একটি গ্রামে জন্ম নিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এরপর হাঁটি হাঁটি পা পা করে শিশুকাল, কৈশোর এবং তারুন্য পেরিয়ে সাকিব এখন পরিপূর্ণ যুবক। দেখতে দেখতে পার করে ফেললেন আরও একটি বসন্ত। আজ তার ২৮তম জন্মদিন।

সাকিবের জন্মদিন উপলক্ষে তার নিজের ফেসবুক পেইজ এবং তার সর্থকরে বিভিন্ন পেইজে অসংখ্য শুভেচ্ছ বার্তায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে সাকিবকে।

২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে মুশফিকুর রহিম এবং ফরহাদ রেজার সঙ্গে জাতীয় দলে প্রথম সুযোগ পান সাকিব। সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে সুযোগ পান সাকিব। ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডেতে ৩৯ রানে নেন ১ উইকেট। এল্টন চিগুম্বুরাকে আউট করে বোলিং ক্যারিয়ার শুরু। এরপর ব্যাট হাতে অপরাজিত ছিলেন ৩০ রানে। ওই ম্যাচে শাহরিয়ার নাফীস ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন। ম্যাচটিতে বাংলাদেশ জয় পায় ৮ উইকেটে।

টেস্ট অভিষেক ২০০৭ সালে ভারতের বিপক্ষে ঢাকায়। ওই ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পান মাত্র এক ইনিংসে। রান করেন ২৭। কোন উইকেট পাননি। টেস্ট শেষ পর্যন্ত ড্র হয়ে যায়।

সেই থেকে শুরু। মাঝে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজে সিরিজ জিতিয়েছেন। দলের অনেক উত্থান-পতনের সঙ্গে জড়িয়ে সাকিবের নাম। টেস্ট, ওয়ানডে এমনকি টি২০ অলরাউন্ডার ক্যারিয়ারের শীর্ষে উঠেছেন সাকিব। তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার, যিনি এক সঙ্গে তিন ফরম্যাটেই অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে ওঠেন।

ক্যারিয়ারে ৩৭ টেস্টে ২ হাজার ৫২৯ রান করেছেন ৩৮.৩১ গড়ে। সেঞ্চুরি ৩টি, হাফ সেঞ্চুরি ১৭টি। উইকেট নিয়েছেন ১৪০টি। এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন ১৪ বার। সেরা বোলিং ৩৬ রানে ৭ উইকেট।

ওয়ানডে খেলেছেন ১৪৫টি। রান করেছেন ৪ হাজার ১৬২। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম চার হাজার রান করেছেন সাকিব আল হাসান। গড় ৩৪.৯২ করে। সেঞ্চুরি ৬টি, হাফ সেঞ্চুরি ২৮টি। সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৩৪। উইকেট নিয়েছেন ১৮৯টি। সেরা বোলিং ১৬ রানে ৪ উইকেট।

ডেইলি স্পোর্টসের পক্ষ থেকেও ‘শুভ জন্মদিন সাকিব আল হাসান।’

Rent for add