রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১ রানে জয় চেন্নাইয়ের

চেন্নাই সুপার কিংস– ১৫০/৭ (২০ ওভার)। দিল্লি ডেয়ারডেভিলস: ১৪৯/৯ (২০ ওভার)। ফল: চেন্নাই ১ রানে জয়য়ী৷

210237নিজস্ব প্রতিবেদক: এখানেই তো টি২০র মজা! এটাই আইপিএল বিনোদন! প্রতিটি ম্যাচই পেন্ডুলামের মতো একবার এপাশে, তো আবার এপাশে! শেষ বল গড়ানো না পর্যন্ত তাই বড় বড় জ্যোতিষরাও আইপিএলের কোনও ম্যাচের ভবিষ্যদ্বানী করতে ভয় পান! পাছে হিসেবে গরমিল হয়ে যায়!

বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের এম চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে একটি উপভোগ্য ও ক্রিকেট বিনোদন উপহার দিল আইপিএল। দর্শকরা চেটেপুঁটে উপভোগ করলেন চেন্নাই-দিল্লি ম্যাচটি। নাটকীয় পথ পরিবর্তন হতে হতে ম্যাচ গড়ায় শেষ বল অবধি। রূদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ১ রানে জয় তুলে নেয় মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। দিল্লিকে জিততে হলে শেষ বলে ৬ রান করতে হতো। সে পরিস্থিতি থেকে ম্যাচের ফলাফল দাঁড়ায় এরকম।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে জয়ের লক্ষ্য থেকে মাত্র ২ রান পিছনে থেমে যায় দিল্লি ডেয়ারডেভিলস। একই সঙ্গে প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে শুভ সূচনা ধোনিবাহিনীর।

টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাটে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক জেপি ডুমিনি। ওপেনার ডোয়াইন স্মিথ ৩৪ রান করলেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ আকর্ষণের কেন্দ্র থাকা ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম (৪)। তিন নম্বরে নেমে ব্যর্থ সদ্য বিবাহিত সুরেশ রায়নাও (৪)। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ঝোড়ো ৩২ রানের একটি ইনিংস খেলে চেন্নাইকে লড়াইয়ে ফেরান ডু-প্লেসিস। রবীন্দ্র জাদেজা ১৭ এবং শেষের দিকে নেমে ধোনি গুরুত্বপূর্ণ ৩০ রান তুলে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেন। দিল্লির হয়ে বল হাতে ৩ উইকেট নেন নাথান নেইল।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি ডেয়ারডেভিলসদেরও। দুই ওপেনার চিদম্বরম গৌতম (৪) ও মৈনাক আগরওয়াল (১২) দ্রুত ফিরে যান। তবে আলবি মর্কেল একা হয়ে লড়াই চালিয়ে যান। উইকেটের একদিক ধরে রাখার পাশাপাশি স্কোর বোর্ডে রানও সচল রাখেন মর্কেল। তাঁকে কিছুটা সাহায্য করেন কেদার যাদব (২০)। বাকিরা আর কেউ দাড়াতে পারেননি। ১৬ কোটি রুপিতে বিক্রি হওয়া, আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা যুবরাজ সিং নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। ব্যক্তিগত ৯ রানে আউট হয়ে যান যুবি।

সঙ্গ না পাওয়ায় পানিতে গেল মর্কেলের অপরাজিত ৭৩ রানের একটি লড়াকু ইনিংস। প্রবল চাপ মাথায় নিয়েও মাত্র ৫৫ বলে অপরাজিত ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন মর্কেল। দিল্লির শেষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের রান যথাক্রমে ৫,৫,৪,২,০!