স্বাধীনতা কাপ ফুটবল

ফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনী

Ctg-Abahaniটাই-ব্রেকারে চট্টগ্রাম আবাহনীর অধিনায়ক জাহিদ হোসেন যখন চতুর্থ শটটি নিতে এলেন, শেখ রাসেল তখন ২-৩ গোলে পিছিয়ে (টাই-ব্রেকার)। জাহিদের নেওয়া শটটি তাই রুখতেই হতো রাসেলের গোল রক্ষক লিটনকে। কিন্তু চট্টগ্রাম আবাহনীকে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া জাহিদকে তিনি পরাস্থ করতে পারেন নি। বরং জাতীয় দল থেকে বর্তমানে নিসিদ্ধ এই প্লে-মেকার প্রত্যাশিত গোলটি আদায় করে নিয়ে দলকে মাতিয়েছেন ফাইনালে ওঠার আনন্দে। স্বাধীনতা কাপ ফুটবলে আজ (বুধবার) শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র ও চট্টগ্রাম আবাহনীর খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ালে সেখানে ৪-২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় চট্টলার দলটি। ৭ এপ্রিল টুর্নামেন্টের ফাইনালটি হবে তাই দুই আবাহনী।

খেলার ১৭ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো শেখ রাসেল। যদি না বা-প্রান্ত থেকে ফিকরুর বানিয়ে দেওয়া বলে দৃষ্টিকটু ভাবে লক্ষ্যভেদ করতে ব্যার্থ না হতেন শহিদ। ২৭ মিনিট ও ৪২ মিনিটে দুটি সম্ভাবনাময় আক্রমন থেকে গোল করতে পারে নি চট্টগ্রাম আবাহনীও। তবে প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে শাখাওয়াত রনির শট গোল কিপার ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে লাফিয়ে ওঠে হেড থেকে বল জালে জড়ান ফিকরু। শেখ রাসেল এগিয়ে যায় ১-০ গোলো।

৬৬ মিনিটে চট্টগ্রাম আবাহনীর অধিনায়ক লিওনেলের ক্রস থেকে রুবেল গোল করে দলকে সমতায় ফেরালে খেলা জমে ওঠে। তবে এরপর গোলের মুখ খুলতে ব্যর্থ ছিল উভয় দলই। নির্ধারিত সময় ১-১ গোলে অমিমাংশিত ভাবে শেষ হলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও কোন দল গোল আদায় করতে না পারলে টাই-ব্রেকারে গড়ায় টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালটি।

টাইব্রেকারে শেখ রাসেলকে হতাশায় ডুবান মিথুন চৌধুরী এবং শাহেদ। দলের হয়ে যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ শট থেকে তারা গোল করতে পারেন নি। তবে প্রথম ও দ্বিতীয় শট থেকে গোল আদায় করে নিয়েছিলেন দুই বিদেশী ফিকরু ও ভেলেরি। চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে গোল চারটি করেছেন দানাবি, এলিসন, লিওনেল ও জাহিদ।

Rent for add