বিশ্বকাপে চমক হতে পারেন আবু জায়েদ

859825004fcee4f3161fac42ed1f4dcf-5cb879e2bfe01

ইংলিশ কন্ডিশনে বিশ্বকাপ, পেস আক্রমণে আলাদা চোখ তো রাখতেই হবে। মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোস্তাফিজুর রহমান ‘অটোমেটিক চয়েজ’। মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন পেস বোলিং অলরাউন্ডার। রুবেল হোসেনের আছে দুই বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা। আছে বাড়তি পেস। সুইং করতে পারেন, এ যুক্তিতে পঞ্চম পেসার হিসেবে নেয়া হয়েছে আবু জায়েদকে।

আবু জায়েদের জায়গায় তাসকিন আহমেদকে সুযোগ দেয়া যেতে পারত—এ বিতর্ক আসছে গতির প্রশ্নে। বেশির ভাগ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই বলছেন, এবার শুষ্ক গ্রীষ্মের উইকেট থাকবে ইংল্যান্ডে। আইসিসির টুর্নামেন্টের উইকেটও থাকে হাই স্কোরিং। প্রথাগত সুইং আর মুভমেন্ট পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছে অধিকাংশ দল। ভারতীয় দলে যেমন শুধুই পেস বোলার পরিচয়ে সুযোগ পেয়েছেন মাত্র তিনজন। অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণেও প্রাধান্য পেয়েছে সুইং কিংবা মুভমেন্ট নয়, স্টার্ক-কামিন্স আর রিচার্ডসনের গতি। ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে বাড়তি গতিটাই বেশি প্রয়োজন হয়। বাড়তি পেস ও বিপিএলের ফর্ম বিবেচনা করে পঞ্চম পেসার হিসেবে তাসকিনকে সুযোগ দেয়া যেতে পারত বলে মনে করেন কেউ কেউ।

ফারুক আহমেদ অবশ্য গলদ দেখছেন না দল নির্বাচনে। বরং চমক হিসেবে আবু জায়েদের অন্তর্ভুক্তি সঠিক সিদ্ধান্তই মনে করছেন বিসিবির সাবেক এ প্রধান নির্বাচক, ‘আমার মনে হয় রাহীকে (আবু জায়েদ) নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত। একটু চমকে দেওয়ার মতো কেউ থাকা ভালো। সবাই জানি যে সে ওয়ানডে খেলেনি। কমপক্ষে পাঁচ বছর ধরে ঘরোয়া পর্যায়ে ভালো খেলছে। আমি মনে করি কন্ডিশন তাকে সহায়তা করবে । ঘরোয়া ক্রিকেটে তার যে অভিজ্ঞতা আছে, এটা সাহায্য করবে তাকে। আর সব সময় দলে একটা সারপ্রাইজ এলিমেন্ট থাকা ভালো। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবাই কিন্তু এখন সবাইকে ভালো ভাবে চেনে, কে কী করে সবাই জানে। রাহী আমাদের সারপ্রাইজ এলিমেন্ট হতে পারে। আশা করি সে ভালো করবে।’

যে দুটি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল সবচেয়ে বেশি সফল, দুটিতেই প্রধান নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। ২০০৭ ও ২০১৫ বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা থেকে ফারুক বলছেন, এবারের দলটাও খারাপ হয়নি, ‘আমার মনে হয় দল ভালো হয়েছে। সম্ভাব্য সেরা খেলোয়াড়দের নিয়েই দল করা হয়েছে। বাংলাদেশ দলকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমার মনে হয় যে দলটা খারাপ হয়নি। এখন মাঠে ভালো খেলতে হবে।’
সূত্র : প্রথম আলো

Rent for add