কমনওয়েলথ মিনিস্ট্রিয়াল ফোরামের সভায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

rasellll

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি বলেছেন,’কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্র সমূহকে স্পোর্টসের উন্নয়নে একযোগে কাজ করতে হবে। সময় এসেছে মাঠে খেলা ফেরাতে কমনওয়েলথভুক্ত সকল রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করার। প্রয়োজনে এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করতে হবে যেখান থেকে অনলাইন ভিত্তিক প্রশিক্ষন কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে।’

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আজ (বৃহস্পতিবার) কমনওয়েলথ সচিবালয় আয়োজিত স্পোর্টস অ্যান্ড কোভিড-১৯ এর ওপর কমনওয়েলথ মিনিস্ট্রিয়াল ফোরামের সভায় যোগ দিয়ে এ কথা বলেছেন। বিকেলে কমনওয়েলথ সচিবালয়ের আয়োজনে জরুরি এই ভার্চুয়াল সভায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি অংশগ্রহন করেন। কেনিয়ার ক্রীড়া বিষয়ক মন্ত্রী ড. আমিনা মোহাম্মদের সভাপতিত্বে এ ভার্চুয়াল সভায় কমনওয়েলথ এর মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসি ও কমনওয়েলথ ভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের ক্রীড়া মন্ত্রীগণ উপস্হিত ছিলেন।

উক্ত সভায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল করোনা পরিস্থিতির এ দুঃসময়ে বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনকে সচল করার লক্ষ্যে কমনওয়েলথ সচিবালয় কর্তৃক কমনওয়েলথ ভুক্ত রাষ্ট্র সমূহের ক্রীড়ামন্ত্রীদের নিয়ে ভার্চুয়াল সভা আয়োজনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে এমন একটি সুন্দর আয়োজন করায় আমি কমনওয়েলথ সচিবালয়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এবং নির্দেশনায় আমরা কোভিড-১৯ মোকাবেলা করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমরা অনেক স্টেডিয়াম, খেলার মাঠ, জিমনেসিয়াম ও শুটিং কমপ্লেক্স কোয়ারেন্টিন সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করছি।’

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন,’করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমরা উক্ত স্থাপনাসমূহ খেলাধুলা পরিচালনার জন্য ব্যবহার করতে পারছিনা। ইতোমধ্যে আমরা ভার্চূয়াল পদ্ধতিতে বিভিন্ন সভা আয়োজন ও পরিচালনা করছি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন থেকে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া শ্যূটিং ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ আরচ্যারী ফেডারেশন স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সীমিত আকারে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করছে।’

ক্রীড়াবিদদের ফিটনেসের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন,‌’খেলোয়াড়, প্রশিক্ষকদের সাথে আমাদের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ঠিক রাখা যাতে, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাঁরা পূর্ণ উদ্যোমে খেলায় মনোনিবেশ করতে পারে। এছাড়াও করোনায় ক্ষতিগ্রস্হ ক্রীড়াবিদদের সরকারের পক্ষ হতে আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত আছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে স্পোর্টসকে মাঠে নিতে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’