ফুটবলে ফেরার দিনটি জয়ে রাঙালো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ২ : ০ নেপাল

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের ভীতি কাটিয়ে ফুটবলে ফেরার দিনটি জয়ে রাঙালো বাংলাদেশ। মুজিববর্ষ ফিফা আন্তর্জাতিক ফুটবল সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশ ২-০ গোলে সফরকারী নেপালকে হারিয়ে এ জয় তুলে নেয়। আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে লাল-সবুজের হয়ে দু গোল করেন নাবিব নেওয়াজ জীবন ও বদলী খেলোয়াড় মাহবুবুর রহমান সুফিল।

মাঠে বল গড়ানোর মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই নাবিব নেওয়াজ জীবন দলকে লিড এনে দেন। সাদ উদ্দিনের ক্রসে চলন্ত বলে গোল করেন এ সময়ের দেশসেরা ফরোয়ার্ড জীবন (১-০)। এর পর ২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হবার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু জীবনের ক্রসে দ্বিতীয় পোস্টে থাকা মোহাম্মদ ইব্রাহিমের হেড ডিফেন্ডারের গায়ে লাগে মাঠের বাইরে চলে যায়। শুধু তাই নয়, ২৭ মিনিটে মানিক মোল্লার প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া শট গোলরক্ষকের গ্লাভস ছুয়ে ক্রসবার ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

বাংলাদেশ একচেটিয়ে আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও নেপাল ততটা পেরে উঠেনি। বিশেষ করে করোনাভাইরাস সংক্রমণে নেপালের বেশকিছু খেলোয়াড় দলের বাইরে থাকায় প্রথমার্ধের পুরোটা সময় জেমি ডে’র শিষ্যরা তাদের চাপে রেখেছে। যদিও ৭ মিনিটে অঞ্জন বিসতার দুর্বল শট সহজেই তালুবন্দি করেন আনিসুর রহমান জিকো।

জামাল ভূঁইয়ারা বিরতির পরও আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখে নেপালের কাছ থেকে গোল আদায়ে আরো আক্রমণাত্বক হয়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় ৭৯ মিনিটে বদলী খেলোয়াড় সুফিলের দারুণ এক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় (২-০)। বাঁ প্রান্ত দিয়ে সতীর্থের এগিয়ে দেয়া বল নিয়ে নেপালের রক্ষণভাগের দুই খেলোয়াড়কে বোকা বানিয়ে একেবারেই ছোট ডি বক্সের ভেতর গিয়ে ঠান্ডা মাথায় ডান পায়ের প্লেসিং শটে গোল করেন সুফিল।

জেমি ডের শিষ্যরা দু গোলের জয়ের ফলে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল। আগামী ১৭ নভেম্বর সিরিজের শেষ ম্যাচ একই ভেন্যুতে বিকেল পাঁচটায় শুরু হবে।

বাংলাদেশ একাদশ
আনিসুর রহমান জিকু, তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, রহমত মিয়া, রিয়াদুল হাসান, জামাল ভূইয়া (ফাহাদ), মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাদউদ্দিন, নাবীব নেওয়াজ জীবন, মানিক মোল্লা (সোহেল রানা) ও সুমন রেজা (সুফিল)।

নেপাল একাদশ
কিরন কুমার লিম্বু (অধিনায়ক), অজিত ভান্ডারি, অনন্ত তামাঙ, বিক্রম লামা (অনিক বিস্তা), তেজ তামাং, অঞ্জন বিশট, সুজল শ্রেষ্ঠ, সুমন আরিয়াল, নয়াযুগ শ্রেষ্ঠ, রবিশংকর পাসওয়ান ও বিকাশ খাওয়াস।