for Add

রুবেল তাহলে নির্দোষ!

rubelনিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন তাহলে নির্দোষ! উঠতি নায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপীর করা ধর্ষণ মামলায় রুবেলের অব্যাহতি চেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

সোমবার আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯ মার্চ রুবেলের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদনটি আদালতে দাখিল করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক হালিমা খাতুন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিকটিম হ্যাপীকে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হলে ৩ সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড জানায়- সম্প্রতি হ্যাপীর শরীরে কোথাও জোরপূর্বক ধর্ষণের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

হ্যাপীর (বাদী) দাবি অনুযায়ী রুবেলের পরিহিত জার্সি, পাপোস এবং নাইটি পরীক্ষা করে তাতেও রুবেলের কোনো শুক্রাণু পাওয়া যায়নি মর্মে বিশেষজ্ঞরা অভিমত দিয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, হ্যাপী একজন প্রাপ্তবয়স্ক, মিডিয়াতে কাজ করা সচেতন ও আধুনিক একজন ব্যক্তি। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া সত্ত্বেও বিয়ের সম্পর্ক ছাড়া যদি তিনি রুবেলের সঙ্গে মেলামেশা করে থাকেন তবে সেটা তার (বাদী) সম্মতিতেই হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু বাদীর অভিযোগ মতে সেটা ধর্ষণের সংজ্ঞায় পড়ে না।

তাছাড়া হ্যাপী তার বক্তব্যের সমর্থনে কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ হাজির করতে পারেনি বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বাদী (হ্যাপী) রুবেলের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণের যে অভিযোগ করেছেন তা ঠিক নয় বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রতিবেদনের শেষ দিকে এসে, সার্বিক তদন্ত, সাক্ষ্য, ডাক্তারি রিপোর্ট, রাসায়নিক পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়- রুবেলের বিরুদ্ধে হ্যাপীর অভিযোগ সঠিক নয়। এজন্য তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের কাছে আসামি রুবেলের অব্যাহতি প্রার্থনা করেছেন।

গত বছর ১৩ ডিসেম্বর নবাগত অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপী ধর্ষণের অভিযোগ এনে রাজধানীর মিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯/১ ধারায় রুবেলের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রুবেল তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

মামলা দায়েরের পর রাত সাড়ে ৭টার দিকে নায়িকা হ্যাপীকে পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নেয়া হয়। পরদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেন্সি বিভাগে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। কিন্তু কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

for Add