This site is under develop. contact click here

ইতালিয়ান কাপ ফাইনালে জুভেন্টাস

Jইতালিয়ান কাপের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে তুরিনে ১০জনের এসি মিলানের সাথে গোলশূন্য ড্র করে দুই লেগ মিলিয়ে অ্যাওয়ে গোলে এগিয়ে থেকে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে জুভেন্টাস। করোনার কারণে তিন মাস বন্ধ থাকার পর এই ম্যাচের মাধ্যমে ইতালিতে শুক্রবার থেকে আবারো ফুটবল মাঠে গড়িয়েছে।

সিরি-এ চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাস ফেব্রুয়ারিতে সান সিরোতে অনুষ্ঠিত প্রথম লেগের ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছিল। যে কারণ অ্যাওয়ে গোলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে জুভরা। বুধবার রোমে এবারের আসরের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

মাঠের মূল প্রতিযোগিতা থেকে দীর্ঘ বিরতির পরে খেলতে নেমে উভয় দলই কিছুটা ভারসাম্যহীনতায় ভুগেছে। জুভেন্টাস দলে ছিলেন না দুই তারকা গিওর্গিও চিয়েলিনি ও গঞ্জালো হিগুয়েইন। জুভেন্টাসের বেশ কয়েকটি আক্রমণ রুখতে গিয়ে মিলানের ট্যাকেলগুলো ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ম্যাচের ১৫ মিনিটে জুভেন্টাসের একটি আক্রমণ থেকে ডি বক্সের মধ্যে মিলানের ইতালিয়ান ডিফেন্ডার আন্দ্রে কন্টির কনুইয়ে লাগলে ভিএআর প্রযুক্তির সহায়তায় পরীক্ষা করে পেনাল্টির নির্দেশ দেয়া হয়। স্পট কিক থেকে অবশ্য গোল করতে পারেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো। তার শটটি পোস্টে লেগে ফেরত আসে।

এর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আন্তে রেবিচ বল মারতে গিয়ে তার পা ডানিলোর মাথায় আঘাত করে। এর ফলে তাকে লাল কার্ড দেখে মাঠে বাইরে চলে যেতে হয়। যে কারণে ম্যাচের বাকি থাকা পুরো ৭৪ মিনিটই এসি মিলানকে ১০জন নিয়ে খেলতে হয়েছে।

ইনজুরির কারণে মাঠে ছিলেন না মিলানের সুইডিশ তারকা জ্বালাটান ইব্রাহিমোভিচ। এছাড়া ইতালিয়ান উইঙ্গার সামু কাস্তিলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে অনুপস্থিত থাকায় স্টিফানো পিওলির দলকে বেশ কয়েকজন তারকা ফরোয়ার্ড ছাড়াই মাঠে নামতে হয়েছিল। কিন্ত তারপরেও ম্যাচের বেশিরভাগ সময়ই জুভেন্টাসের রক্ষণভাগকে মিলানের আক্রমণের জন্য ব্যস্ত থাকতে হয়েছে।

ম্যাচ শুরুর দুই মিনিটের মধ্যে হাকান কালহানগ্লু মিলানের হয়ে সবচেয়ে সহজ সুযোগটি নষ্ট করেন। একেবারে ফাঁকা থাকলেও তার হেড অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ১০ মিনিট পরে আরেকটি হেডের সুযোগ নষ্ট করেন সিমোন কায়ের।

জুভেন্টাসও সুযোগ কম পায়নি। ৩০ মিনিটে ব্লেইস মাতৌদির শট দারুণভাবে রুখে দেন মিলানের গোলরক্ষক গিয়ানলুইগি ডোনারুমা। দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিকে পাওলো দিবালা ও এ্যালেক্স সান্দ্রোর দুটি শটও গোলের ঠিকানা খুঁজে পায়নি।

করোনা মহামারীতে ইতালিতে ৩৪ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ম্যাচ শুরুর আগে করোনায় মৃত্যুবরণ করা সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দুই দল এক মিনিট নিরবতা পালন করে। এছাড়া করোনায় একেবারে ফ্রন্টলাইনে থেকে প্রতিদিন লড়াই করে যাওয়া স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।বাসস।