for Add

পিছিয়ে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন

বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন তিন সপ্তাহ পিছিয়ে আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান গণমাধ্যমগুলো। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে দীর্ঘ আলোচনায় শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের কোয়ারেন্টাইন থাকাকালীন অনুশীলনের জন্য সবুজ সঙ্কেত মিলেছে বলে গণমাধ্যমগুলো রিপোর্টে উল্লেখ করেছে।

অস্ট্রেলিয়ান গণমাধ্যম সূত্রমতে জানা গেছে ইতোমধ্যেই টুর্নামেন্ট পরিচালক ক্রেইগ টিলে খেলোয়াড়দের গ্র্যান্ড স্ল্যাম পিছিয়ে যাবার বিষয়টি অবহিত করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হলে করোনভাইরাসের কারণে এ নিয়ে তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের তারিখ বাতিল হবে। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় প্রবাহের কারণে অক্টোবরে শুধুমাত্র মেলবোর্নে নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এ কারণে টেনিস অস্ট্রেলিয়া ভিক্টোরিয়া প্রদেশের স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে আলাদা করে আলোচনা করবে।

খেলোয়াড়দের কাছে পাঠানো টিলের একটি পত্রের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমগুলো বলছে, বিষয়টি নিশ্চিত হতে কিছুটা সময় লাগলো। কিন্তু সুখবর হচ্ছে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আমরা অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরু করতে যাচ্ছি। তবে খেলোয়াড়দের দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক যা শুরু হবে ১৫ জানুয়ারি।

টিলে আরো লিখেছেন নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী যারা নেগেটিভ হবেন তারা আইসোলেশনে থাকাকালীন অনুশীলনের সুযোগ পাবেন। যদিও টেনিস অস্ট্রেলিয়া এ ধরনের রিপোর্টের বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি। তবে জানিয়েছে সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় তারা রয়েছে।

চলতি বছর করোনা মহামারীর কারণে ইউএস ওপেন দর্শকবিহীন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। ফ্রেঞ্চ ওপেন নির্ধারিত সময় থেকে পিছিয়ে সীমিত দর্শকের উপস্থিতিতে পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের পর প্রথমবারের মত বাতিল করা হয়েছে উইম্বলডন। বাসস।

for Add